বিজ্ঞাপন

হরমুজ প্রণালির নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখতে চান ট্রাম্প

বিজ্ঞাপন

ইরানের হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরিবর্তিত নামের একটি মানচিত্রের ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউস।

গতকাল বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলে, “এখন যেহেতু এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে, তাহলে কি হরমুজ প্রণালির নাম বদলে ট্রাম্প প্রণালী রাখা উচিত??? আমেরিকার মতোই, এটিও আগের চেয়ে আরও ‘উষ্ণ’ হয়ে উঠবে!”

পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্তকারী হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য জলপথগুলোর মধ্যে একটি। পৃথিবীর এক পঞ্চমাংশ জ্বালানি পণ্য এই পথ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ভৌগলিকভাবে এই প্রণালি ইরানের ভূখণ্ডে অবস্থিত এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের আগ পর্যন্ত এই প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো সমস্যা ছিল না। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ, ইরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে ইচ্ছুক বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলো থেকে টোল আদায়ের ঘোষণা দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্ব ইরানের এ সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করায় কোনো দেশি-বিদেশি জাহাজ ইরানের বন্দরে প্রবেশ করতে বা বন্দর থেকে বেরিয়ে যেতে পারছে না।

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ‘অনানুষ্ঠানিক বিরতির’ পর রোববার থেকে ফের সংঘাত শুর হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। সেই সংঘাতের সূতপাত ঘটেছে সৌদি আরবের দু’টি ট্যাংকার জাহাজের গোপনে হরমুজ পাড়ি দেওয়ার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে। মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরব।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবশ্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলাশয়ের নাম পরিবর্তনের দিকে ঝোঁক রয়েছে। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের অল্প কিছুদিন পর মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে আমেরিক উপাসগর রাখেন তিনি।

পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘ভারী ও ধ্বংসাত্মক’ হামলা চালাবে ইরান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন