ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাদক কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কিশোর রায়হান (১৫) হত্যা মামলার আসামি হোসেন আলী কারাগারে মারা গেছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হোসেন আলী সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা গ্রামের উত্তরপাড়ার অহাদ আলীর ছেলে। তিনি রায়হান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
কারাগার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে হোসেন আলীকে রায়হান হত্যা মামলার হাজতি আসামি হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারারক্ষী সাইফুল ইসলাম তাঁকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হোসেন আলীর ছেলে ইয়াসিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার তাঁর বাবা মামলার হাজিরা দিতে আদালতে গিয়েছিলেন। সেখানে ছয়জন জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের সুপার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘একজন হাজতি মারা গেছেন। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হবে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে নিয়ম অনুযায়ী মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ হোসেন আলীর মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ মে গভীর রাতে সরাইল সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা গ্রামের উত্তরপাড়ায় মাদক কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে রায়হান (১৫) নিহত হয়। রায়হান একই এলাকার মৃত ছোটন মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় হোসেন আলী এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
পড়ুন: শাহজালালে আকস্মিক পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী: ব্যাগেজ হ্যাণ্ডলিংয়ে সময় কমানোর নির্দেশ
ইমি/


