বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১৬

বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের একটি মসজিদে বোমা হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পেশোয়ার পুলিশ।

মসজিদটি খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাত জেলায় অবস্থিত। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে মসজিদে ধাক্কা দেয়। পরে গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোলাগুলি এখনো চলছে। এরই মধ্যে পুলিশের গুলিতে এক হামলাকারী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

জ্বালানি সংকট পাকিস্তানে : বিদেশ ভ্রমণ ও সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ, বিয়ের দাওয়াতে এক পদ

পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় এবং সরকারি ব্যয় কমাতে একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশটির সরকার। বাজার দ্রুত বন্ধের নির্দেশ থেকে শুরু করে সরকারি গাড়িতে জ্বালানি বরাদ্দ কমানো—সংকট মোকাবিলায় নেওয়া এসব সিদ্ধান্তে বদলে যাচ্ছে পাকিস্তানের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা। সম্প্রতি পাকিস্তান সরকার প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৪ দশমিক ১০ পাকিস্তানি রুপি এবং উচ্চগতির ডিজেলের দাম ৬ দশমিক ৪১ রুপি বাড়িয়েছে। এতে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮৪ দশমিক ৩৪ রুপি এবং ডিজেলের দাম ৪১৫ দশমিক ৮৩ রুপি।

দাম বৃদ্ধির চাপ কিছুটা কমাতে বুধবার থেকে জ্বালানি ভর্তুকি চালু করেছে সরকার। তবে ভর্তুকি পেতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। গাড়ি ও মোটরসাইকেল মালিকদের আগে নিবন্ধন করতে হচ্ছে। কিন্তু পুরো নিবন্ধন প্রক্রিয়া ঠিকমতো কাজ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

করাচির বাসিন্দা মোহাম্মদ মুশাররফ জানান, মোটরসাইকেল ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর নিবন্ধনের জন্য তিনি কয়েক দিন ধরে চেষ্টা করেও সফল হননি। তিনি প্রশ্ন করেন, এত জটিল নিয়ম থাকলে অশিক্ষিত মানুষ কীভাবে এই সুবিধা পাবেন?

জ্বালানি সংকট ও বাড়তি ব্যয় সামাল দিতে জ্বালানি ব্যবহার কমানো এবং সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। পদক্ষেপগুলো হলো—

সরকারি গাড়িতে জ্বালানি বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে। তবে সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জরুরি সেবার গাড়িগুলো এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে।

রাত ৯টার মধ্যে বাজার বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিয়ের হল রাত ১০টা এবং রেস্তোরাঁ রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে ওষুধের দোকান ও চিকিৎসা পরীক্ষাগার এ বিধিনিষেধের বাইরে থাকবে।

সরকারি ব্যয় ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর এবং সভার জন্য দেশের ভেতরে ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে অনলাইন বৈঠকের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারি অনুষ্ঠান ও নৈশভোজে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে বিদেশি অতিথি ও প্রতিনিধিদলের সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠান এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

নতুন সরকারি গাড়ি কেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমাতে পাকিস্তান এর আগেও এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলেও জ্বালানি ব্যবহার কমানোর লক্ষ্যে দেশটিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

পড়ুন: ট্রেনে নারী কোচ: খসড়া আইনে স্থান-সংখ্যা অস্পষ্ট, বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন