জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলায় উসকানি ও পাঁচজনকে হত্যার মামলায় সাবেক ঢাবি উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মাকসুদ কামাল, ড. জাফর ইকবালসহ পলাতক পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন।
একই আদেশে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ কে এম জামাল উদ্দিন এবং ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকতকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন।
মামলায় অন্য অভিযুক্তরা হলেন—ঢাবি অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকত।
অভিযুক্তদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানবীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে আছেন। বাকি অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
এদিকে গাজীপুরে মাদরাসা অধ্যক্ষ আল আমিনকে গুমের মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই মামলায় সাবেক সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
পড়ুন : অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেফতার, দ্রুত তদন্ত শেষে বিচার শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সা/


