বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানাজায় গিয়ে বাইক হারালেন যুবক, উদ্ধার করল মদন থানা পুলিশ

বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। শোকাবহ পরিবেশের সুযোগ নিয়ে তার সাধের মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোর চক্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। চুরির ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তথ্যপ্রযুক্তি ও সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তায় চোরাই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে নেত্রকোনার মদন থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নেত্রকোনার মদন উপজেলাধীন ৬নং তিয়শ্রী ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আল আক্কাসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নিতে গিয়েছিলেন মদন থানার চকপাড়া (চানগাঁও শাহপুর) গ্রামের মৃত আব্দুস সুবহানের ছেলে মো. শামসুল হক চ্যাম্পিয়ন (৩৮)। তিনি তার ব্যবহৃত কালো ও নীল রঙের পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলটি মরহুমের বাড়ির সামনে কবরস্থানের পাশে রেখে জানাজায় দাঁড়ান। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নামাজ শেষে ফিরে দেখেন তার এক লাখ ষাট হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই।

প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশের অভিযানে ঘটনায় ২৩ সেপ্টেম্বর মদন থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় চুরির মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। মামলা রুজু হওয়ার পরপরই চোর ধরতে তৎপর হয় মদন থানা পুলিশের একটি দল। তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার মাধ্যমে পুলিশ চোরকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

এরপর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে তেলুয়ারী মুন্সিপাড়ার নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চুরির ঘটনায় জড়িত মো. মাজহারুল ইসলাম জয় (২৬) নামের যুবককে। সে ওই গ্রামের মো. সবুজ মিয়া ও মোছা. খালেদা আক্তারের ছেলে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে ব্যাপক ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে চুরির কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানাধীন দরগাহ রোডের জনৈক আ. লতিফের চায়ের দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় বাদীর চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে জব্দ তালিকার মাধ্যমে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে ইতোমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনার সাথে আরও কোনো চক্র জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে মামলাটি নিবিড় তদন্তাধীন আছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : জয়পুরহাটে শুরু হলো জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন