বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুফাঁদে পরিণত বড়লেখা পৌর মার্কেট,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাণিজ্য চালাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার মাছ ও কাঁচা বাজারের মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদ ও বিভিন্ন অংশের পলেস্তারা খসে পড়ায় আতঙ্কে দিন পার করছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা। ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই রাস্তার পাশে বসে ব্যবসা করছেন। এতে যান চলাচল ও পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সময়ের সঙ্গে এই পৌর মার্কেটটি এখন পরিণত হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনায়। মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার কাঁচা বাজার ও মাছ বাজারের ভবনটির ছাদে দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল।

বিভিন্ন সময় ছাদ ও পলেস্তারা ভেঙে পড়ায় ঘটেছে দুর্ঘটনাও। বিশেষ করে দ্বিতীয় তলায় ভারী মালামাল নিয়ে ব্যবসা করতে ঝুঁকি নিতে চান না অনেক ব্যবসায়ী

ফলে বাধ্য হয়ে অনেক কাঁচামাল, সবজি ও ফল বিক্রেতা মার্কেটের বাইরে সড়কের পাশে বসে ব্যবসা করছেন। এতে একদিকে সড়কের জায়গা সংকুচিত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের চলাচলেও তৈরি হচ্ছে দুর্ভোগ। ব্যস্ত সড়কের পাশে বাজার বসায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন স্থানীয়রা।

২০০৬-২০০৭ অর্থবছরে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে মার্কেটটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। পরে ২০১২ সালে এর উদ্বোধন করা হয়।

ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটটির বিষয়ে ২০২৩ সালে পৌর মেয়রের স্বাক্ষরিত স্মারক নং-২০২৩/৭৩-এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে পৌর প্রশাসকের স্বাক্ষরিত স্মারক নং-২০২৫/১৫০-এর মাধ্যমে বিষয়টি পুনরায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক নাঈমা নাদিয়া বলেন, “বড়লেখা পৌর কাঁচা বাজার ও মার্কেটটি নিয়ে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও আমাদের কাছে অনেক অভিযোগ এসেছে। আমি নিজেও পরিদর্শন করেছি। ২০২৩ সালে একটি চিঠি পরবর্তীতে ২০২৫ সালে আরেকটি চিঠি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে পুনরায় তাগিদপত্র পাঠাব।”

স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এই মার্কেটটি দ্রুত অপসারণ করে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি নিরাপদ মার্কেট নির্মাণ করা হোক।

​তাদের মতে, পুরোনো ভবনটি ভেঙে আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং ব্যবস্থাসহ একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক মার্কেট নির্মাণ করা হলে একদিকে যেমন ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে সড়কে চলাচলকারী পথচারী ও যানবাহনগুলোও ঝুঁকিমুক্ত থাকবে।

বিশেষ করে, আন্ডারগ্রাউন্ডে যানবাহনের সুব্যবস্থা থাকলে রাস্তার ওপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের প্রবণতা কমবে এবং যানজট নিরসন হবে।
​
স্থানীয়দের জোরালো প্রত্যাশা যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করবে । বড় কোনো বিপর্যয় এড়াতে এই ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটটি নিয়ে জরুরি ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহন করা হবে এমনটিই আশা করছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী, স্থানীয় সচেতন মহল।

পড়ুন:প্রভাবশালীর ছেলের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ১০ দিন পর মামলা

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন