বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক

জামালপুরের ইসলামপুরে মোছা. মঞ্জুয়ারা (২৮) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের ৪ নম্বর চর এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মঞ্জুয়ারা ওই এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী।

মঞ্জুয়ারার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে লাশ নদীর পানিতে ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল। ঘটনার পর মঞ্জুয়ারার স্বামী সুজন মিয়াসহ তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় যুগ আগে পাশের শেরপুর সদর উপজেলার ৭ নম্বর চর এলাকার বাসিন্দা আহমত মোল্লাহর মেয়ে মঞ্জুয়ারার সঙ্গে পারিবারিকভাবে আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুজন মিয়ার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্বশুরবাড়িতে মঞ্জুয়ারার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে ডিগ্রিরচর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) ও উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুরুজ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তবে প্রথমে মঞ্জুয়ারার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পুলিশকে লাশ দিতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। পরে ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সন্ধ্যায় লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

মঞ্জুয়ারার বোন আঞ্জুরার অভিযোগ, পারিবারিক শত্রুতার জেরে তাঁর দেবর লোকমান ও লুৎফরসহ কয়েকজন মঞ্জুয়ারাকে হত্যা করেন। পরে হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে লাশ বসতবাড়িসংলগ্ন নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে নদীর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হলে লাশ রশিতে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইসলামপুর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মঞ্জুয়ারা নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মগোপনে রয়েছেন।

পড়ুন : নির্বাচন কমিশনের তালিকায় দুর্গম, গেজেটে নেই হরিরামপুর

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন