আবরার হত্যার ৭ বছর: খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হবে কবে?

সাত বছর আগে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে যে হত্যাকাণ্ড পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, সেই আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচার এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টে দণ্ড বহাল হওয়ার পর মামলাটি এখন আপিল বিভাগে। তবে সেখানে কবে চূড়ান্ত শুনানি হবে, তা এখনো নির্দিষ্ট নয়। এদিকে আবরার ফাহাদের পরিবার দ্রুত শুনানি শেষে সাজা কার্যকরের দাবি জানাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, আপিল বিভাগে মামলাটি দ্রুত শুনানির জন্য মূল উদ্যোগ আসামিপক্ষকেই নিতে হবে। তবে রাষ্ট্রপক্ষও শুনানি শুরু হলে কোনো ধরনের বিলম্ব করবে না বলে জানিয়েছে।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর নির্যাতনে নিহত হন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ। পরদিন তার বাবা বরকত উল্লাহ চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৩৭ দিনের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করে একই বছরের ১৩ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান মামলার রায় দেন। রায়ে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এরপর মামলার ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের শুনানি হয় হাইকোর্টে। ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বিচারিক আদালতের দেওয়া ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল বিভাগে যান। এখন মামলাটি সর্বোচ্চ আদালতে চূড়ান্ত শুনানির অপেক্ষায়। তবে কবে শুনানি শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট সময়সূচি পাওয়া যায়নি।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, চূড়ান্ত শুনানিতে সবার সাজা বহাল রাখার চেষ্টা থাকবে।

তিনি বলেন, যারা ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তারা যদি মনে করেন আপিলে খালাস পাবেন, তাহলে দ্রুত আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব তাদেরই। রাষ্ট্র আপিল বিভাগের এই আপিলে বিবাদী। হাইকোর্টের রেফারেন্সের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল নিম্ন আদালতের রায় যেন বহাল থাকে, সেটি নিশ্চিত করা। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস রাষ্ট্রের পক্ষে সেই ভূমিকা পালন করেছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, নিম্ন আদালতের রায় হাইকোর্ট বিভাগ বহাল রাখায় এখন মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির মূল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও তাদের আইনজীবীদের। তবে রাষ্ট্রেরও কিছু দায় রয়েছে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও মামলাটিতে যেন কোনো ধরনের বিলম্ব না হয়, সেই চেষ্টা থাকবে।

সাম্প্রতিক অবস্থানও হলো, আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো মুলতবি চাইবে না। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের ভাষ্য, আপিল বিভাগের মামলাগুলো সাধারণত সন-তারিখের ভিত্তিতে কার্যতালিকায় আসে এবং প্রধান বিচারপতি অগ্রাধিকার দিলে দ্রুত শুনানি হতে পারে।

আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহর চাওয়া, মামলাটির দ্রুত শুনানি করে রায় কার্যকর করা। তিনি বলেন, আবরার ফাহাদের মামলা এখনও আপিল বিভাগে চলমান। তারা এখনও বিচার শেষ করতে পারেননি। কিছুদিন আগে তিনি আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তারা মামলাটি দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর যেন কোনো সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি না হয়, যাতে কেউ এভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার না হন।

মামলার রায়ে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শুধু ভিন্নমতের কারণে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। নিজেদের বুয়েটের মেধাবী ছাত্র দাবি করা অভিযুক্তরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের দায় এড়াতে পারবেন না।

আবরার ফাহাদকে যেভাবে হত্যা করা হয়

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলেই আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তার মৃত্যুর পর বুয়েটসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।

আবরার ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি শেরেবাংলা হলের নিচতলায় ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন ৫ অক্টোবর শনিবার বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে বাড়িতে থাকা অবস্থায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন আবরার। সেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক কিছু চুক্তির সমালোচনা করেন তিনি। ভারতের সঙ্গে পানি বিনিময়, মোংলা বন্দর ব্যবহার এবং গ্যাস রপ্তানি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

পরদিন রোববার বিকেলে হলে ফেরেন আবরার। ফেরার কয়েক ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে দ্বিতীয় বর্ষের সাত-আটজন ছাত্রের সঙ্গে তাকেও শেরেবাংলা হলের দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে পাঠান তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাত-আটজন নেতা।

সেখানে আবরারের মুঠোফোন পরীক্ষা করা হয়। এরপর স্ট্যাম্প দিয়ে তাকে মারধর শুরু করা হয়। কিছুক্ষণ পর চতুর্থ বর্ষের আরও কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী সেখানে আসেন। তারাও আবরারকে আরেক দফা মারধর করেন।

রাত ৩টার দিকে জানা যায়, আবরারকে পিটিয়ে দোতলা ও একতলার সিঁড়ির মাঝামাঝি ফেলে রাখা হয়েছে। বুয়েটের তৎকালীন চিকিৎসক এসে তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় নির্মিত একটি তথ্যচিত্রে আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ সেই রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, আমি ভেবেছিলাম, ভাইয়ার পায়ের দিকে ধরব, কিন্তু গ্রিপ করতে গিয়ে দেখি কিছু নেই। সব গলা। জাস্ট হাড্ডিতে গিয়ে গ্রিপ করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৯টায় ভাইয়ার বাস ছিল। হলে আসতে আসতে সাড়ে ৪টা বেজে গেছে। আম্মুর দেওয়া খাবার খেয়ে ভাইয়া রেস্ট নিচ্ছিল। এর মধ্যেই ভাইয়ার কাছের বন্ধুরা এসে তাকে বলেছে, বড় ভাইয়েরা তোকে ডাকছে, একটু ওপরে আয়। সঙ্গে ল্যাপটপ-মোবাইল নিয়ে আয়।

তথ্যচিত্রে আবরারের সহপাঠী মুহতাদি আহনাফ আনসারীও কথা বলেন। তিনি বলেন, তাকে থাপ্পড় দেওয়া হয়। পাশের রুম থেকে স্ট্যাম্প নিয়ে আসা হয়। অমানুষিকভাবে তাকে হিট করা হয়। একটা পর্যায়ে স্ট্যাম্প ভেঙে যায়। এরপর আরেকটি স্ট্যাম্প নিয়ে তাকে মারা হয়। সেসময় সে মেঝেতে পড়ে যায়। বমি করে।

তিনি আরও বলেন, তাকে মারতে মারতে তার তলপেটে হিট করা হয়। মৃত্যুর পর আমরা দেখেছিলাম, তার দুই-হাত, দুই পা কালছিটে পড়ে গিয়েছিল। শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে তাকে হিট করা হয়নি। সে যখন অনেক বমি করে ফেলে, তখন তাকে ওয়াশরুমে নিয়ে ওয়াশ করা হয়, এবং রুমে নিয়ে আবার মারা হয়। পরিস্থিতি খুব খারাপ হলে তারা ওয়াশ করে ফাহাদকে ২০১১ থেকে ২০০৫ নম্বর রুমে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সিদ্ধান্ত নেয়, তাকে ডাক্তারের কাছে নিতে হবে। আবরারকে গ্রেপ্তার করতে ইতোমধ্যে পুলিশকে বলে দেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশ ফটকের বাইরে অপেক্ষা করছিল।

মুহতাদি আহনাফ বলেন, তাকে যখন সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে রাখা হয়, তখন সে বলেছিল, তাকে নিয়ে টানাটানি না করতে, সে একটু পানি খেতে চায়। আমি যখন বেরোতে চাই, তখন সেখানে শামীম বিল্লাহ এবং সাইফুল ছিল, তারা মিলে পানি খাওয়াচ্ছিল।

তিনি বলেন, কিছুক্ষণ পর আমি যখন পৌঁছাই, তখন তার আর হুশ ছিল না। তখনও তার এক্সটার্নাল কোনো ব্লিডিং ছিল না। কিন্তু তার সেন্স ছিল না। আমরা তাকে সিপিআর দেই। সিপিআর দেওয়ার সময় তার মুখ থেকে যে আওয়াজ আসছিল, আমরা ভেবেছিলাম হয়তো কফ আটকে গিয়েছে। বসে কিছুক্ষণ পিঠের ওপর বাড়ি দিতে থাকি। হয়তো কফ ক্লিয়ার হবে। কিছুক্ষণ পর ডাক্তার আসে।

এ বিষয়ে দায়িত্বরত ডাক্তার বলেন, আমি তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি, সে মৃত। তখন দেখি, তার শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন। পরে চকবাজার থানা পুলিশ আসে এবং তার সুরতহাল রিপোর্ট করে।

কেন হত্যা করা হয়েছিল আবরারকে

আবরার ফাহাদের ফেসবুক পোস্টে ভারতের সমালোচনার পরই তাকে হত্যা করা হয়েছিল কি না—হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। এ সময় তাকে ‘শিবির’ ট্যাগ দেওয়ার বিষয়টিও সামনে আসে।

তৎকালীন কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম তদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, আবরার ফাহাদকে শিবির হিসেবে সন্দেহ করার বিষয়টি হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল, কিন্তু সেটাই একমাত্র কারণ নয়।

তিনি বলেন, অভিযুক্তদের সমীহ করে সালাম না দেওয়ার বিষয়টিও আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্যতম কারণ। তারা র‍্যাগিং-এর নামে আতঙ্ক তৈরি করেছে। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তরা আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে অন্যদের মাঝেও আতঙ্ক তৈরি করতে চেয়েছিল, যাতে করে অন্য শিক্ষার্থীরাও তাদের সমীহ করে এবং সালাম দেয়।

তবে তৎকালীন সক্রিয় ছাত্রনেতা ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্যরা মনে করেন, ভিন্নমত পোষণ এবং ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হয়। তারা আবরার ফাহাদকে ‘ভারতীয় আগ্রাসনের বিরোধিতাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে আবরার ফাহাদকে সার্বভৌমত্ব ও আগ্রাসনবিরোধী প্রতীক হিসেবেও ঘোষণা করেন তাদের অনেকেই।

আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের পর পলাশীতে তার স্মরণে ‘আগ্রাসনবিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করেন বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কয়েকজন। তিনিও আবরারকে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে জীবন দিতে হয়েছিল বলে মনে করেন।

তিনি বলেন, ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার আজ থেকে ছয় বছর আগে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হয়েছিলেন। তাই আমরা এই স্থাপনাটির নাম দিয়েছিলাম আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভ। স্থাপনাটি আজ আবার উদ্বোধন হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মৃত্যুর আগে আবরার ফাহাদের ফেসবুকে দেওয়া পোস্টও ছাত্রলীগ নেতাদের নিপীড়নের শিকার হওয়ার মূল কারণ বলে মনে করছেন অনেকেই।

এ সময় তিনি ফেসবুকে লিখেছিলেন—

১. ৪৭ এ দেশভাগের পর দেশের পশ্চিমাংশে কোনো সমুদ্র বন্দর ছিল না। তৎকালীন সরকার ৬ মাসের জন্য কলকাতা বন্দর ব্যবহারের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করল। কিন্তু দাদারা নিজেদের রাস্তা নিজেদের মাপার পরামর্শ দিছিলো। বাধ্য হয়ে দুর্ভিক্ষ দমনে উদ্বোধনের আগেই মোংলা বন্দর খুলে দেওয়া হয়েছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ ইন্ডিয়াকে সেই মোংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য হাত পাততে হচ্ছে।

২. কাবেরি নদীর পানি ছাড়াছাড়ি নিয়ে কানাড়ি আর তামিলদের কামড়াকামড়ি কয়েকবছর আগে শিরোনাম হয়েছিল। যে দেশের এক রাজ্যই অন্যকে পানি দিতে চায় না সেখানে আমরা বিনিময় ছাড়া দিনে দেড় লাখ কিউবিক মিটার পানি দিব।

৩. কয়েকবছর আগে নিজেদের সম্পদ রক্ষার দোহাই দিয়ে উত্তরভারত কয়লা-পাথর রপ্তানি বন্ধ করেছে অথচ আমরা তাদের গ্যাস দিব। যেখানে গ্যাসের অভাবে নিজেদের কারখানা বন্ধ করা লাগে সেখানে নিজের সম্পদ দিয়ে বন্ধুর বাতি জ্বালাব। …

কারা শাস্তি পেলেন

আবরার হত্যার পর তার বাবা বরকত উল্লাহ চকবাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে মাত্র ৩৭ দিনের মধ্যে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ।

পরে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্টও ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ ওই সাজা বহাল রাখেন। এরপর মামলাটি আপিল বিভাগে গড়ায়।

পড়ুন: সৌদির নিরাপত্তায় তুরস্ক-পাকিস্তান, দ্রুত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন