জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে এখন শুধু ১৩টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার বিষয়টিই আলোচনায় নেই; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়োগবিধি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ন্যূনতম নির্দেশিকা এবং নিয়োগে যোগ্যতার শর্ত নির্ধারণের এখতিয়ার—এই তিনটি বিষয় সামনে এসেছে। ২৫ আগস্ট প্রকাশিত শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম হাইকোর্ট স্থগিত করার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালা কি ইউজিসির নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত যোগ্যতার শর্ত আরোপ করতে পারে?
বিজ্ঞপ্তিতে সহকারী অধ্যাপকের দুটি এবং প্রভাষকের ১১টিসহ মোট ১৩টি পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বিজ্ঞপ্তির যোগ্যতার শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম এবং এর ভিত্তিতে নেওয়া পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তি ও পরবর্তী কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।
যে বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক
গত ২৫ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে সমাজকর্ম বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের একটি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের একটি পদ এবং বিভিন্ন বিভাগে প্রভাষকের ১১টি পদ ছিল।
প্রভাষকের পদগুলোর মধ্যে সংগীত বিভাগে দুটি, নাট্যকলা বিভাগে দুটি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে একটি, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে দুটি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে একটি, থ্রেড অ্যান্ড হেরিটেজ বিভাগে একটি, প্রিন্টমেকিং বিভাগে একটি এবং মৃৎশিল্প ও নকশা বিভাগে একটি পদ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের পাশাপাশি এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের জন্যও নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত রাখা হয়। এ নিয়েই মূল আপত্তি।
উচ্চশিক্ষার ফল ভালো হলেও আবেদন থেকে বাদ?
শিক্ষক নিয়োগে একজন প্রার্থীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের একাডেমিক ফলাফল সাধারণত সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দক্ষতা ও উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কিন্তু জবির আলোচিত বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ফলাফলের নির্দিষ্ট শর্তও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ফলে কোনো প্রার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভালো ফলাফল করলেও এসএসসি বা এইচএসসির নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে আবেদন করার সুযোগ নাও পেতে পারেন। এখানেই নিয়োগের যোগ্যতার কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সমালোচকদের বক্তব্য, শিক্ষকতার মতো উচ্চশিক্ষাগত যোগ্যতাভিত্তিক একটি পদে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ফলাফলকে বাধ্যতামূলক শর্ত করার যৌক্তিকতা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে এ ধরনের শর্ত নির্ধারণের ফলে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র অযথা সংকুচিত হচ্ছে কি না, সেটিও পর্যালোচনার বিষয়।
ইউজিসির নির্দেশিকা বনাম জবির নিয়োগবিধি
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে ইউজিসি ২০২১ সালের ৫ এপ্রিল ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের ন্যূনতম নির্দেশিকা’ প্রণয়ন করে।
এই নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করেই মূল বিরোধের জায়গাটি তৈরি হয়েছে। রিটকারীর পক্ষের আইনজীবীর যুক্তি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসির নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলের শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এতে উচ্চশিক্ষায় যোগ্য অনেক প্রার্থী শুধু মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ফলাফলের কারণে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়তে পারেন।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়োগবিধি অনুসরণ করেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে প্রশ্নটি শুধু বিজ্ঞপ্তির কোনো একটি শর্তের নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিধি ও ইউজিসির নির্দেশিকার মধ্যে সম্পর্ক কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
নীতিমালা অনুমোদনের প্রক্রিয়াতেও প্রশ্ন
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, তাদের নিয়োগ নীতিমালা কমিটি, সিন্ডিকেট এবং ইউজিসির সংশ্লিষ্ট পর্যায় থেকে অনুমোদিত। এমনকি নীতিমালা অনুমোদনের সময় ইউজিসির সদস্যরাও সংশ্লিষ্ট ছিলেন বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।
এ বক্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়োগবিধি ইউজিসির ন্যূনতম নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে আলোচিত বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত যোগ্যতার শর্তের প্রয়োজন কেন হলো? আর যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বিধিতে এমন শর্ত আগে থেকেই থাকে, তাহলে সেটি ইউজিসির নির্দেশিকার সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি, নীতিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া এবং অনুমোদনের নথিপত্র বিশ্লেষণের ওপর।
‘পছন্দের প্রার্থীকে সুবিধা’—অভিযোগ কতটা প্রমাণযোগ্য?
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির যোগ্যতার শর্ত নিয়ে আলোচনায় সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে—কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থী বা প্রার্থীদের সুবিধা দিতে যোগ্যতার কাঠামো নির্ধারণ করা হয়ে থাকতে পারে।
কারণ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো অতিরিক্ত শর্ত যুক্ত হলে স্বাভাবিকভাবেই আবেদনকারীর পরিসর কমে যায়। ফলে কোনো প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি সেই নির্দিষ্ট শর্তের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে প্রতিযোগিতায় তার তুলনামূলক সুবিধা তৈরি হতে পারে।
তবে শুধু যোগ্যতার শর্তের কারণে ‘পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল’—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে আরও নির্দিষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট নথি, নীতিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া, বিভাগীয় সুপারিশ, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত এবং বিজ্ঞপ্তির শর্ত নির্ধারণের যৌক্তিকতা যাচাই না করে এমন অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
আদালতের হস্তক্ষেপে থেমে গেল নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ঢাকার আইনজীবী বিজয়া রানি টিকাদার হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে ২২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও এর ভিত্তিতে নেওয়া পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবেদা গুলরুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।
ফলে ১৩টি পদে নিয়োগের পরবর্তী কার্যক্রম আপাতত আটকে গেছে।
প্রশাসনের বক্তব্য কী?
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শেখ মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নীতিমালা কমিটি, সিন্ডিকেট ও ইউজিসি—সব পর্যায়েই বিষয়টি অনুমোদিত হয়েছে। নিয়োগে পছন্দ-অপছন্দের কোনো বিষয় নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের নিয়ম অনুসরণ করেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ফ্যাকাল্টি ও বিভাগ অনুযায়ী আলাদা আলাদা ক্রাইটেরিয়া থাকে বলেও জানান তিনি।
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, আদালতের নির্দেশনা আইনিভাবেই মোকাবিলা করা হবে। একই সঙ্গে ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা নিয়ে কাজ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপাচার্যের দাবি, ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েই পুরোপুরি অনুসরণ করা হয় না। তাই বিদ্যমান নীতিমালা পর্যালোচনা করে গ্রহণযোগ্য একটি কাঠামোয় যাওয়ার জন্য কাজ চলছে।
ইউজিসির অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়
বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ইউজিসির আরও দুই সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নন বলে জানান।
ফলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসির ২০২১ সালের নির্দেশিকার সঙ্গে বাস্তবে কোনো সাংঘর্ষিকতা রয়েছে কি না—সে বিষয়ে কমিশনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শুধু জবির নয়, বড় প্রশ্ন পুরো নিয়োগ ব্যবস্থায়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি পদে নিয়োগ আটকে যাওয়ার ঘটনা এখন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে বৃহত্তর প্রশ্ন তৈরি করেছে। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ইউজিসির ন্যূনতম নির্দেশিকা ও পৃথক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়োগবিধির মধ্যে বাস্তবে কতটা সামঞ্জস্য রয়েছে, সেটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
যদি প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব নীতিমালার ভিত্তিতে ইউজিসির নির্দেশিকার বাইরে আলাদা আলাদা যোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করে, তাহলে ‘অভিন্ন নীতিমালা’র কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসনের অংশ হিসেবে যদি কিছু অতিরিক্ত শর্ত নির্ধারণের সুযোগ থাকে, তাহলে সেই সীমারেখা কোথায়—সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
সামনে যে প্রশ্নগুলো
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নিয়োগ বিতর্ক শেষ পর্যন্ত কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে—
প্রথমত, ইউজিসির ন্যূনতম নির্দেশিকার বাইরে গিয়ে কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কতটা অতিরিক্ত যোগ্যতার শর্ত আরোপ করতে পারে?
দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়োগবিধি ও ইউজিসির নির্দেশিকার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে কোনটি প্রাধান্য পাবে?
তৃতীয়ত, শিক্ষক নিয়োগে এসএসসি-এইচএসসির ফলাফলকে বাধ্যতামূলক করার যৌক্তিকতা কী?
চতুর্থত, নিয়োগবিধি প্রণয়ন ও বিজ্ঞপ্তির যোগ্যতা নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কতটা নিশ্চিত করা হয়েছে?
পঞ্চমত, ইউজিসির ২০২১ সালের নির্দেশিকা যদি বাস্তবে অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুসৃত না হয়, তাহলে সেই নির্দেশিকার কার্যকারিতা ও বাস্তবায়ন নিয়ে কমিশনের অবস্থান কী?
হাইকোর্টের রায় ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় এসব প্রশ্নের কিছু উত্তর মিলতে পারে। তবে তার বাইরেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক নিয়োগে অভিন্নতা, স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার মানদণ্ড নিশ্চিত করতে নীতিমালার স্পষ্টতা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পড়ুন:বিজেপিতে যোগ দিলেন কোয়েল মল্লিক
ইমি/


