ফাজিলপুরে মাকে দিয়ে ছেলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

উপজেলার ফাজিলপুরে বড় ছেলের বিরুদ্ধে নিজের ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন মা রোকেয়া বেগম। বিষয়টি মাকে দিয়ে অপপ্রচার বলে দাবি করেন ছেলে শরীফুল ইসলাম ও তার দুই বোন। ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ছেলে শরীফুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন মা রোকেয়া বেগম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রোকেয়া বেগমকে মারধর করেছে বলে দাবি করেন।

এদিকে এ বিষয়ে মাকে প্রভাবিত করে অপপ্রচার করছে বলে দাবি করে ছেলে শরীফুল ইসলাম।
শরীফুল ইসলাম বলেন,‘ আমার মাকে ঘর থেকে বের করার বিষয়টি সম্পূর্ণ সাজানো। এ ধরনের কোন বিষয় ঘটেনি। আম্মার মতের ভিত্তিতে স্বইচ্ছায় আমরা বাড়িটি বিক্রি করে ফেলি। আম্মার জন্য ফেনীতে বাসা নেওয়া হয়েছে। সেখানে আমি মাকে থাকতে বলেছি। তো আমরা জিনিসটা নিতে আসলে হঠাৎ করে আম্মার মন পরিবর্তন হয়ে যায়। বিশেষ করে আমার ছোট ভাই প্রভাবিত করে।’

তিনি বলেন,‘ আমি বড় ছেলে হিসেবে পরিবারের জন্য সব করেছি। আমার মায়ের জন্য করেছি। কিন্তু কেউ আমার সাথে শত্রুতার জেরে অপপ্রচার চালিয়েছে। আমার মাকে আমি মারতে যাবো কেন? আমার মামারাও ছিলো এখানে। ’

বড় বোন জাহেদা আক্তার বলেন,‘ আমার মায়ের ছেলে-মেয়ে আমরা ৫ জন। আমার মা আমাদের সবার সাথে রাগ দেখিয়ে থাকে। আমরা মা রাগী স্বভাবের। এখানে আমার ভাইয়ের সাথে কিছু নেই। ২৬ বছর ধরে সংসারের হাল ধরেছে। এখানে মারধের কোন ঘটনা ঘটেনি। বরং আমার মাকে দিয়ে কেউ অপপ্রচার চালিয়েছে।’

তার মামা মিজানুর রহমান বলেন,‘আমার বাগিনা আমার বোনকে মারধর করেনি। আমরা তো পাশে, এমন কিছু দেখেনি আমরা। মারধর করলে তো আমরা নিজেরা বাগিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতাম। বরং বাগিনা মায়ের জন্য সর্বোচ্চটুকু করতেছে।’

উত্তর ফাজিলপুর বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি মোকসেদুর রহমান বলেন,‘ আসলে এরা মা-ছেলে।আমরা চেষ্টা করছি তাদের একটা সুন্দর সম্পর্ক বিরাজ করুক। ছেলেও চেষ্টা করছে। আমরা সমাজ থেকে চার-পাঁচ জন গিয়েছিলাম। বরং শরীফের মা আমাদের অপমান করছে। এরপরও আমরা চেষ্টা করছি। আমরা সন্তানদের সাথে যোগাযোগ করে জানছি, মায়ের সাথে সবার সম্পর্ক খারাপ।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন