ধামরাইয়ে দিনদুপুরে পাশাপাশি চার বাড়িতে চুরি, টাকা-স্বর্ণালংকারসহ মালামাল লুট

ঢাকার ধামরাইয়ে দিনদুপুরে পাশাপাশি চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরেরা বাড়িগুলোর তালা ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, বিক্রির জন্য নতুন থ্রি-পিস ও হাঁড়িপাতিলসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চুরির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলের দিকে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ফুকুটিয়া গ্রামের হাসম আলী ও ভুলির বাড়িসহ সাইফুল ইসলামের মালিকানাধীন ভাড়াটিয়াদের দুটি রুম এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী হাসমত আলী জানান, তিনি স্থানীয় জিডিএল গার্মেন্টসে চাকরি করেন। ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থলে ছিলেন। তাঁর স্ত্রী মেয়েকে দেখতে মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে গিয়েছিলেন। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে চোরেরা গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে দুটি কক্ষের সিন্দুক ও আলমারি ভেঙে নগদ এক লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং প্রায় দুই বস্তা হাঁড়িপাতিল নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ভুলি জানান, তাঁর স্বামী নেই। নিজে কাজ করে সংসার চালানোর পাশাপাশি তিনি থ্রি-পিস বিক্রি করেন। বিক্রির জন্য সম্প্রতি ১৪ হাজার টাকার নতুন থ্রি-পিস কিনে এনেছিলেন। চোরেরা সেগুলো নিয়ে গেছে। এ ছাড়া তাঁর ঘরে থাকা নগদ ১৭ হাজার টাকা ও মেয়েদের স্বর্ণালংকারও চুরি হয়েছে বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, একই এলাকার সাইফুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন রুজিদুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী নূরীনা আক্তার। তাঁরা দুজনই স্থানীয় জিডিএল গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তাঁদের ভাড়া বাসা থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি হয়েছে। তাঁদের ধারণা, বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে চোরেরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ ছাড়া একই গার্মেন্টসে কর্মরত জাহাঙ্গীর আলম পাশের আরেকটি কক্ষে একা ভাড়া থাকেন। তাঁর কক্ষের তালা ভেঙেও চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে। তবে সেখানে নেওয়ার মতো কোনো মালামাল না থাকায় কিছুই নিতে পারেনি।

একই সময়ে পাশাপাশি চারটি বাড়িতে চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এবিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো নাজমুল হুদা খান জানান, এরকম কোন অভিযোগ এখনো কেউ করেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মারধর: নেত্রকোনায় সড়ক অবরোধ ও প্রতিবাদ

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন