নাগরিক টিভিতে নিউজ প্রকাশ হওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক রাজনৈতিক ক্ষমতার আশ্রয়ে নিজেকে নির-অপরাধ প্রতিষ্ঠিত করার প্রায়তারা করছে। হতবাক স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবক।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় এক সহকারী শিক্ষককের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ থানায় হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক বিভিন্ন মহল এবং রাজনৈতিক ছত্র ছায়ার চাঁদরে আশ্রয় নিয়েছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ওই বিদ্যালয় থেকে টিসি নেওয়ার সিন্ধান্ত নিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে স্কুলে অনেক শিশু শিক্ষার্থী স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে।
রাজশাহীর চারঘাটে ৪র্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মনোয়ার হোসেন মাখন। সে উপজেলার বাদুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। ইতোপূর্বে জয়পুর, নাওদাড়া ও বামনদিঘী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শিশু শিক্ষার্থীদের যৈন নিপীড়নের অভিযোগ ছিল ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
শিশু শিক্ষার্থী একটি গরিব পরিবারের সন্তান। তার বাবা অটো রিক্সা চালিয়ে জীবন যাপন করে। বর্তমান এলাকায় বিষয়টি নিয়ে বেশ থম থমে অবস্থান করছে। স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্ঠাও চলছে। বিভিন্ন উচ্চ মহল এবং রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্ঠা করছে অভিযুক্ত শিক্ষক। ভুক্তভোগীরা গরীব বলেই তারা ন্যায় বিচার পাবেনা। এটিও নাহিদা খাতুন অভিযুক্ত শিক্ষকের পক্ষে কাজ করছে বলে বক্তব্য দিয়েছে শিক্ষার্থীর পরিবার ও স্থানীয়রা।
বাদুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ শাহেরা খাতুন বলেন, তিনি প্রধান শিক্ষক হিসাবে তার করনিও কাজ করছেন। তবে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সিন্ধান্তের নির্ধারক। ওই শিক্ষক সুযোগ বুঝে এসে স্বাক্ষর করে চলে যায়। শিক্ষার্থীদের মাধ্যে একটি প্রভাব পড়েছে।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জিললুর রহমান বিপ্লব বলেন, যৌন নির্যাতন নিপীড়ন চলামান অপরাধ হয়ে দাড়িঁয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবনতা বৃদ্ধি হচ্ছে। সমাজ গড়ার কারিগর যখন নিজেই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ওই সময় সভ্যতা প্রত্যাশা করা একটি দূর্লব শব্দ। তিনি নিজের সন্তানকেও এই স্কুলে না পড়ানোর সিন্ধান্ত নিয়েছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিও) ফাতেমা খাতুন বলেন, তিনি সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও) নাহিদা খাতুনকে সার্বিক তদন্ত করে রির্পোট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। স্কুলে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে একটি প্রভাব পড়েছে। নাগরিক টিভি নিউজ প্রকাশ হওয়ার পর থেকে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কাজ করছেন।
পড়ুন : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ নারী নিহত
সা/


