রাজবাড়ীতে ছদ্মবেশী পাগলের বিরুদ্ধে বার্বুচিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া আনজুমান -ই কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদরাসার হোস্টেলের বার্বুচি ফজের আলী (৭০)কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছদ্মবেশী এক পাগলের বিরুদ্ধে।

নিহত বার্বুচি ফজের আলী রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের মল্লিক পাড়া গ্রামের আহমদ আলী সরদারের ছেলে।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতদিয়া আনজুমান ই কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদরাসার পাকশালায় এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে- শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আনুমানিক বেলা আড়াইটার দিকে আনজুমান ই কাদেরিয়া মাদ্রাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদ্রাসার হোস্টেলের বাবুর্চি ফজের আলী ছাত্রদের খাবার দিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে ওই ছদ্দবেশী পাগল ফজেরের কাছে হাজির হয়ে তার কাছে খাবার চান। ওই সময় ফজের মাদ্রাসার সব শিক্ষার্থীদের খাবার দিয়ে দেন। খাবার হিসাব করা থাকায় তার কাছে কোন খাবার ছিল না। এসময় ফজের কিছু বুঝে ওঠার আগেই গাছেরখড়ি দিয়ে তার মাথার পিছন থেকে সজোরে আঘাত করতে থাকেন ওই পাগল। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন সোনা বান বিবি (৭০) নামের এক স্থানীয় নারী। হামলাকারী পাগল তাকেও আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হন।​তখন স্থানীয় বয়োবৃদ্ধ বাবুর্চি ফজের আলীকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় গোয়ালন্দ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর পরই সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আহত নারী সোনাবানকে চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।পরে খবর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশকে জানানো হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হন এবং সেখানকার স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় হামলাকারী ছন্মবেশী পাগলকে আটক করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আটককৃত ছদ্মবেশী পাগলকে চিকিৎসা দেয়ার পাশাপাশি তার নাম ঠিকানা খোঁজ করা হচ্ছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বাগেরহাটে দুবলার চরগামী ট্রলার থেকে পড়ে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন