‎কুড়িগ্রামে নার্সের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজন ও কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ‎

‎কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত সিনিয়র স্টাফ নার্স আরজুয়ারার বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, লাঞ্ছিত করার চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যাক্তির নাম তাজু সামাজিক যোগাযোগে ভাইরাল তাজু ভাই নামে পরিচিত। এ ঘটনায় হাসপাতালের হটলাইনে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তাকেও ধাক্কা দেওয়া ও তাঁর হাত থেকে মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ওই আরজুয়ারা নামের ওই নার্সের বিরুদ্ধে।
‎
‎বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) থানা ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোঃ তাজু ভাই।পরে দ্রূত সমাধান করতে রাতেই সালিশ বসানো হয়।সে সময় ভুক্তভোগী তাজুকে বাইরে রেখে সমাধান করা হয়েছে বলে জানান তাজু নিজেই।
‎
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাঁর বাবা গুরুতর অসুস্থ হয়ে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে চিকিৎসা ব্যয়ে সহায়তা পেতে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। পরে তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য রোগীর প্রেসক্রিপশন ফটোকপি করেন।
‎
‎প্রেসক্রিপশনের মুলকপি  কেন ফটোকপি করা হলো এ নিয়ে ওয়ার্ডে কর্তব্যরত সিনিয়র স্টাফ নার্স আরজুয়ারা তাজুর সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা ও পুলিশে দেওয়াসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন নার্স ওই।
‎
‎এ ঘটনায় হাসপাতালের অফিশিয়াল হটলাইনে ফোন করে সহায়তা চান তাজু। পরে হটলাইনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদুল হক স্বশরীরে  ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার বিষয়টি জানতে চান।এমন প্রশ্নে ওই নার্স রেগে গিয়ে ওই কর্মকর্তার সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।ভিতরে সিসি ক্যামেরা না থাকায় প্রমান স্বরুপ আচরনের ছবি ধারন করা শুরু করেন।এমন সময় এরশাদুলের হাতে থাকা মোবাইলটি ছিটকে নেয়ার চেষ্টক করেন। একপর্যায়ে কর্মকর্তার হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিটকে দিয়ে নস্ট করে ফেলেন ও তাঁকে ধাক্কা দিয়ে লাঞ্ছিত করেন।
‎
‎লিখিত অভিযোগে তাজু ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানোর কথা উল্লেখ থাকলেও বিষয়টি নিয়ে বাইরে জানাজানি যাতে না হয় এমন সমাধান করা হয়েছে বলে জানান তাজু ভাই।
‎
‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত নার্স আরজুয়ারা বলেন,তাজু ভাইর সাথে এ নিয়ে ভুলবোঝা বুঝি হয়েছিল পরে সমাধান করে নিয়েছি।
‎
‎কর্মকর্তা এরশাদুল হক বলেন,তাজু সাথে অশালীন আচরন করলে ওয়েবসাইট থেকে নম্বর নিয়ে আমাকে কল দেয়।আমি ঘটনা শুনে ওয়ার্ডে যাই,ওই নার্স আমাকে দেখা মাত্র চেঁচিয়ে উঠে।অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি নাকি সেখানে দালালী করতে গিয়েছি।ফোন ভেঙে ফেলেছে।
‎
‎কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ড. নুর নেওয়াজ বলেন,আমার কাছে অভিযোগ এসেছিল। পরে শুনলাম ওরা নিজেরাই বসে সমাধান করে নিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

‎পড়ুন : ৪৪তমে যোগ দেননি, ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার হলেন অমিত খান

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন