৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। অন্যান্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পাশাপাশি, এই নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছর কার হাতে থাকবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ।
প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) এবং সিনেট উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা উল্টে দিতে ডেমোক্র্যাটদের নিট চারটি করে আসন বাড়াতে হবে। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের ২১৮-২১৪ এবং সিনেটে ৫৩-৪৭ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। জনমত জরিপে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি দেখা গেলেও সিনেটের লড়াই এখনো হাড্ডাহাড্ডি।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বর্তমানে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচন ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে ডেমোক্র্যাটরা এক বা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলেও ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা এবং ব্যাপক নির্বাহী কর্তৃত্ব বহাল থাকবে। ফলে বড় ধরনের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতা সীমিত থাকবে।
বিশ্লেষক, রাজনৈতিক কৌশলবিদ ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, ২০২৭ সালে ঋণসীমা বাড়ানো এবং সরকারি অর্থায়ন নিয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিরোধ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের কমিটিগুলোর নিয়ন্ত্রণ, সমন জারির ক্ষমতা এবং ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনার সুযোগ পাবে।
কংগ্রেসের সমনের মুখে পড়া ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা তা অমান্য করতে পারেন। কারণ, ট্রাম্পের নিয়োগ দেওয়া কর্মকর্তাদের নেতৃত্বাধীন বিচার বিভাগ (জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট) এসব সমন কার্যকর করার উদ্যোগ নেবে না বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
শুল্কনীতি, অভিবাসন ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা এবং ব্যাপক নির্বাহী কর্তৃত্ব বহাল থাকবে। গত ২০ অক্টোবর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে থাকা প্রতিনিধি পরিষদ ট্রাম্পের কর্মসূচি আটকে দেয়ার ক্ষেত্রে ‘তেমন কিছু’ করতে পারবে না। সিনেটে রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের অধিকাংশ অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ আটকে দেবে।
স্বাস্থ্যসেবা, গর্ভপাতের অধিকার, আবাসন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ডেটা সেন্টার নিয়ে ডেমোক্র্যাটরা প্রতীকী বা জনমত তৈরির উদ্দেশ্যে কিছু বিল পাস করতে পারবে। তবে সেগুলোর খুব কমই, এমনকি একটিও আইন হিসেবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।
২০২৭ সালে ঋণসীমা, বাজেট এবং সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ দেখা দিতে পারে।
শুনানি ও সমন জারির মাধ্যমে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে। তবে নীতিনির্ধারণে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। বিশ্লেষকদের ধারণা, গ্রীষ্মের মধ্যেই ঋণসীমা নিয়ে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে, যা আর্থিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলতে পারে। গত দুই বছরে কংগ্রেসকে অনেকাংশে পাশ কাটিয়ে যেভাবে ট্রাম্প তার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন, আগামী দিনেও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সেই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।
প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ২১ থেকে ৪০ আসন
নেতৃত্বের হাতে দলীয় ভিন্নমত সামাল দিয়ে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।
নতুন নির্বাচিত সদস্যদের সংখ্যা বাড়বে। তাদের মধ্যে প্রগতিশীল রাজনীতির সমর্থকরা বেশি থাকলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের দাবিও জোরালো হতে পারে।
শুল্কনীতি ও ইরান যুদ্ধের মতো ইস্যুতে কিছু রিপাবলিকান ট্রাম্পের অবস্থান থেকে সরে আসতে পারেন। জনমত জরিপে এসব বিষয়ে ট্রাম্পের নীতির প্রতি অসন্তোষ দেখা গেছে।
ডেমোক্র্যাটদের বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাজেট ও ঋণসীমা নিয়ে আলোচনায় তাদের অবস্থান শক্তিশালী করবে। ফলে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ছাড় আদায় সহজ হতে পারে।
স্বাস্থ্যসেবা, গর্ভপাতের অধিকার এবং জীবনযাত্রার ব্যয়সংক্রান্ত বিল পাসের ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ভোট বাড়বে এবং সিনেটের রিপাবলিকানদের কঠিন অবস্থানের মুখে পড়তে হবে।
মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা, ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করা এবং ডেটা সেন্টারবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন বিল পাস করতে পারে। তবে সিনেটে রিপাবলিকানদের বাধা এবং ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতার কারণে বড় ধরনের আইনগত পরিবর্তন আনা কঠিন হবে।
ট্রাম্প নির্বাহী পদক্ষেপের মাধ্যমে তার কর্মসূচি বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখতে পারবেন। পাশাপাশি ঋণসীমা নিয়ে বিরোধের আশঙ্কাও থাকবে।
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদে জয় এবং সিনেটে সমান ৫০-৫০ আসন পেলে সিনেটে রিপাবলিকানরাই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে। কারণ, সমান ভোট হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সিদ্ধান্তমূলক ভোট দিতে পারবেন।
পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান এবং কয়েকজন মধ্যপন্থি রিপাবলিকানের মতো নিজ দলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে ভোট দিতে পারেন, এমন কয়েকজন সিনেটর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠতে পারেন।
ঋণসীমা ও বাজেট নিয়ে বিরোধ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। কারণ, কোনো দলই নিজ দলের সদস্যদের ভোট হারানোর ঝুঁকি নিতে চাইবে না। ফলে অল্প কয়েকজন সিনেটরের হাতেই সমঝোতা চূড়ান্ত করা বা বিলম্বিত করার ক্ষমতা চলে যেতে পারে।
ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। অর্থনৈতিক, বিচার বিভাগীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে অল্প কয়েকজন সুইং সিনেটরের ভোটই চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করতে পারে। ভ্যান্সের সিদ্ধান্তমূলক ভোটের কারণে ট্রাম্প তার মনোনীত ব্যক্তিদের সিনেটে অনুমোদন করিয়ে নিতে পারবেন। একই সঙ্গে শুল্কনীতি, অভিবাসন ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তগুলো অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণহীন থাকবে।
ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষে জিতলে শুধু প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার তুলনায় সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার প্রভাব আরও বেশি হতে পারে। কারণ, বিচারপতি নিয়োগ, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ এবং রাষ্ট্রদূত মনোনয়নের অনুমোদন সিনেটের হাতে থাকে।
সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ২ আসন
ডেমোক্র্যাটরা সিনেটের কমিটি এবং অধিবেশনের কার্যসূচির নিয়ন্ত্রণ পাবে। তারা ট্রাম্পের মনোনীত অনেক বিচারপতির নিয়োগ আটকে দিতে পারে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে কোনো পদ শূন্য হলে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত সেই পদ পূরণের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা করতে পারে।
জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগে রিপাবলিকানরা দ্রুততার সঙ্গে নিজেদের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ অনুমোদন করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।
ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা ও নির্বাহী কর্তৃত্ব বহাল থাকবে। ‘ফিলিবাস্টার’ নামে সিনেটের একটি নিয়মের কারণে অধিকাংশ বিল পাস করতে ৬০টি ভোট প্রয়োজন হয়। এই নিয়মের মাধ্যমে সংখ্যালঘু দল কোনো বিল আটকে দিতে বা বিলম্বিত করতে পারে। ফলে বড় ধরনের আইন পাস করা কঠিনই থাকবে।
উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের ঋণসীমা ও বাজেট নিয়ে আলোচনায় দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়াবে। তবে আর্থিক অচলাবস্থার ঝুঁকি থেকেই যাবে।
ট্রাম্পের নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ওপর ডেমোক্র্যাটরা উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। তবে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ফিলিবাস্টার নিয়ম এবং ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতার কারণে বড় ধরনের আইনগত সাফল্য সীমিত থাকবে।
সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ৪ থেকে ৬ আসন
দলীয় নেতৃত্ব আর একক কোনো সিনেটরের ওপর অতটা নির্ভরশীল থাকবে না। কয়েকজন সদস্য ভিন্নমত দিলেও ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
শুল্কনীতি, ডেটা সেন্টার, স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার বিষয়ে ডেমোক্র্যাটরা বিল পাসের চেষ্টা করতে পারবে। এসব বিল ট্রাম্পের সামনে পাঠানো হলে তাকে ভেটো দিতে হতে পারে।
এ ধরনের ভেটো-সংক্রান্ত রাজনৈতিক লড়াই ২০২৮ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ডেমোক্র্যাটদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া অনেকাংশে থমকে যেতে পারে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় এবং ডেটা সেন্টার নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগ মোকাবিলায় ডেমোক্র্যাটদের বিল পাসের সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে রিপাবলিকানদের ওপর চাপও বাড়বে।
তবে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ আইন আটকে দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্পের হাতে থাকবে। বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ভোটাররা শুধু ট্রাম্পের বিরোধিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানেও ডেমোক্র্যাটদের কাছ থেকে কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করবে।
অন্যদিকে, ট্রাম্পও রাজনৈতিকভাবে বিরোধীদের সামনে দাঁড় করানোর সুযোগ পাবেন। ওয়াশিংটনের ব্যর্থতার দায় ডেমোক্র্যাটদের ঘাড়ে দিতে পারবেন এবং অর্থনৈতিক সমস্যা ও উচ্চমূল্যের জন্য তাদের দায়ী করতে পারেন।
সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা: ৮ বা তার বেশি আসন
ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনে স্পষ্ট জনসমর্থন পাওয়ার দাবি করতে পারবে। তারা বলতে পারে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দুই বছরের শাসনব্যবস্থার প্রতি ভোটাররা অনাস্থা প্রকাশ করেছেন।
সরকারি অর্থায়ন ও ঋণসীমা নিয়ে রিপাবলিকান এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে আলোচনায় ডেমোক্র্যাটরা সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। কারণ, সংশ্লিষ্ট বিল পাসের জন্য তাদের হাতে পর্যাপ্ত ভোট থাকবে।
তবে ‘ফিলিবাস্টার’ অতিক্রম, প্রেসিডেন্টের ভেটো বাতিল কিংবা প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে অভিশংসন করলে সিনেটে তাকে দোষী সাব্যস্ত করার মতো পর্যাপ্ত ভোট ডেমোক্র্যাটদের থাকবে না।
ডেমোক্র্যাটদের দর-কষাকষির ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা, ফিলিবাস্টার এবং অর্থনীতির জন্য যৌথ রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার কারণে শাসন পরিচালনায় তাদের ক্ষমতা সীমিত থাকবে।
রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখলে প্রতিনিধি পরিষদে অনেক রিপাবলিকান সদস্যের আসন ঝুঁকির মুখে থাকায় এই পরিস্থিতি তুলনামূলক কম সম্ভাব্য বলে মনে করা হচ্ছে। তবে একেবারে অসম্ভব নয়।
ট্রাম্প ও রিপাবলিকানরা তার প্রেসিডেন্সির শেষ দুই বছরের জন্য নতুন করে জনসমর্থন পাওয়ার দাবি করতে পারবেন। ওয়াশিংটনের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকায় ট্রাম্প আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তার বিভিন্ন কর্মসূচি এগিয়ে নিতে পারবেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তার ওপর বাধা আসবে খুব কম। বিচারপতি মনোনয়নসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের প্রক্রিয়াও তিনি অব্যাহত রাখতে পারবেন।
এ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের বাজেটসংক্রান্ত বিরোধ, সরকারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এবং ঋণসীমা নিয়ে সংঘাতের আশঙ্কা কমে আসবে।
সূত্র: রয়টার্স
পড়ুন : ইসরায়েলে জমে উঠেছে ক্ষমতার লড়াই, সরকার গঠন এখনো অনিশ্চিত


