বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ আরও তীব্রতর হলো। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পণ্যের ওপর পাল্টা আমদানি শুল্ক কার্যকর করেছে চীন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও অনেকগুলো দেশের আমদানি করা পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্কারোপের হুমকি দিয়েছেন।
মার্কিন আমদানি পণ্যের ওপর চীনের আরোপ করা পাল্টা শুল্ক আজ থেকে কার্যকর হয়েছে। ফলে বিশ্বে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিধর এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ আরও বাড়ল।

দুই পক্ষের বিরোধ নিষ্পত্তির একমাত্র প্ল্যাটফর্ম বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্যানেল। কিন্তু এটি এখনো কার্যকর নয়। তাই চীনের পক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত এখনই আসছে না। তবে ট্রাম্প তার চীনা প্রতিপক্ষ শি জিনপিংয়ের সাথে কথা বলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলছেন, এ বিষয়ে তার কোনও তাড়া নেই।
যুক্তরাষ্ট্র ৪ ফেব্রুয়ারি সব চীনা পণ্যের ওপর নতুন করে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করার কয়েক মিনিট পরেই বেইজিং মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্কারোপের পরিকল্পনার ঘোষণা দেয়। সবশেষ তারা মার্কিন কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে ১৫ শতাংশ সীমান্ত কর আরোপ করেছে।
গত সপ্তাহে চীনা কর্তৃপক্ষ প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগলের বিরুদ্ধে একচেটিয়া বাণিজ্যবিরোধী তদন্ত শুরু করেছে। অন্যদিকে ফ্যাশন ব্র্যান্ড কেলভিন ক্লেইন ও টমি হিলফিগারের মার্কিন মালিক পিভিএইচকে বেইজিং অনির্ভরযোগ্য সংস্থার তালিকায় যুক্ত করেছে।

এছাড়া চীন ২৫টি বিরল ধাতুর ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। এসব ধাতুর মধ্যে কয়েকটি বৈদ্যুতিক পণ্য ও সামরিক সরঞ্জামের মূল উপাদান রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডা ও মেক্সিকোর পণ্য আমদানিতে ২৫ শতাংশ করে ও চীনের পণ্যে বর্তমান হারের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার কথা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও পরে কানাডা ও মেক্সিকোতে শুল্ক আরোপের অবস্থান থেকে সরে আসেন ট্রাম্প।
রোববার ট্রাম্প বলেছেন, তিনিও যুক্তরাষ্ট্রে সব স্টিল ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। এ বিষয়ে আজ ঘোষণা আসতে পারে।
এনএ/


