বিজ্ঞাপন

হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অসুস্থতা অনুভব করার পর তাকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী করাচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে চিৎিসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার পর তাকে করাচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এক্সপ্রেস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, জ্বর এবং সংক্রমণের কথা জানানোর পর তাকে প্রথমে নওয়াবশাহ থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল।

খবর অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জারদারির বেশ কয়েকটি মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তার অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দলীয় নেতারা জনসাধারণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জারদারির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন ভালো আছেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং আগামী দিনে আরও আপডেট পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতি অনুসারে, অসুস্থতার খবরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ প্রেসিডেন্ট জারদারির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে তার সাথে যোগাযোগ করেছেন।

কথোপকথনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ প্রেসিডেন্ট জারদারির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। তিনি তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করে বলেন, “আল্লাহ আপনাকে পূর্ণ ও দ্রুত আরোগ্য দান করুন। সমগ্র জাতির দোয়া আপনার সাথে রয়েছে।”

এদিকে পৃথক প্রতিবেদনে পাকিস্তানের আরেক মংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে আসিফ আলী জারদারির হাসপাতালে ভর্তির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ প্রেসিডেন্ট জারদারির সাথে যোগাযোগ করেন এবং তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন।

যদিও প্রেসিডেন্ট ভবন বা জারদারির দল পিপিপির পক্ষ থেকে তাদের সহ-সভাপতির (আসিফ আলী জারদারি) স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি, তবে সংবাদমাধ্যমগুলো বেশ কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নওয়াবশাহ থেকে প্রেসিডেন্ট জারদারিকে করাচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী এবং সচিব

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন