০১/০৩/২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
24.9 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আমার স্বামী কি কোরবানির গরু? পুলিশের কাছে সন্ত্রাসী সাজ্জাদের স্ত্রীর প্রশ্ন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদকে হাতকড়া পরিয়ে এলাকায় ঘুরিয়েছে পুলিশ। এ সময় সকল সন্ত্রাসীদের প্রতি সতর্কতা জানিয়ে পুলিশ বলে, তাদের পরিণতিও এই সাজ্জাদের মতো হবে। তাকে পুলিশের ঘোরানো ভিডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এরপর সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না শারমিন গতকাল এক ফেসবুক পোস্টে পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দেওয়া ১ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ভিডিওতে তামান্না বলেন, “কোনো জায়গায় কী নজির আছে একজন রিমান্ডের আসামিকে গরুর মতো রশি বেঁধে এলাকায় এলাকায় মাইকিং করার? জিরো টলারেন্স ঘোষণা করতেছে ওসি আরিফ। আমার হাজব্যান্ড কি কোরবানের গরু? আমার স্বামীকে এভাবে নিয়ে মাইকিং করতেছে!”

মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “আসলে সাজ্জাদের ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড নাই, ওর জন্য কথা বলার কেউ নাইতো; আমিও মেয়ে মানুষ—দুই তিনটা মামলা দিয়ে বসে আছে। এখন আমি আপনাদের ওপর ছেড়ে দিছি। আপনাদের কি মনে হয়, এটা কী মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে না? আমার স্বামীকে এভাবে গরুর রশি দিয়ে বেঁধে এলাকায় এলাকায় নিয়ে গিয়ে অপমানি করা হচ্ছে, কেন? আমি আপনাদের কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলাম।”

ভিডিওতে তিনি আরও বলেন, “আমার স্বামী যদি অপরাধী হয় তার বিচার আদালত করবে। ওসি আরিফ আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নাই। আমার স্বামীকে সূচি গ্রেপ্তার করিয়েছে—এটা আমি বারবার বলেছি। বসুন্ধরা সিটিতে আমরা ঘুরতে গেছি, ওই অবস্থায় সূচি আমার স্বামীকে দেখে সিকিউরিটি রুমে নেওয়ার তিন ঘণ্টা পর পুলিশ আমাকে ও আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে। আমি পরে ছুটে আসি।”

“আমার স্বামী যখন তামান্না তামান্না বলে চিৎকার করছিলো, তখন আমার মোবাইল হারিয়ে যাওয়ায় পাঁচ মিনিটের জন্য নিচে নামছিলাম। একসাথেই গ্রেপ্তার হয়েছি। ওসি আরিফ বা সিএমপির কমিশনার আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার করে নাই। কিন্তু ওরা সিম্পেথি নেওয়ার জন্য আমার স্বামীকে রাস্তায় নামিয়ে… আমার স্বামীকে গুলি করে মারতে পারতেছে না?”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চট্টগ্রামে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন