বিজ্ঞাপন

সেবাদানের ক্ষেত্রে রক্তদাতারা উজ্জ্বল নক্ষত্র

স্বেচ্ছা রক্তদানের মাধ্যমে কেবল অন্যের উপকারই হয় না, রক্তদাতার নিজেরও শারীরিক ও আত্মিক পরিশুদ্ধতা লাভ হয়। সেবাদানের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছা রক্তদাতারা হচ্ছেন উজ্জ্বল নক্ষত্র।

রবিবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হক।

বিজ্ঞাপন


অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বার রক্তদান করে লাইফ লং, ১০ বারের দানে সিলভার, ২৫ বারে গোল্ডেন এবং ৫০ বার রক্তদান করে প্লাটিনাম ক্লাবের সদস্য হয়েছেন- এমন তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রধান অতিথি এসময় তাদের হাতে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, দেশে স্বেচ্ছা রক্তদাতার সংখ্যা প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশ। বাকি ৬০-৭০ শতাংশ রক্তদাতা আত্মীয়-পরিজন। স্বেচ্ছা রক্তদাতার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বক্তারা বলেন, আমরা রক্ত দিয়ে ভাষা পেয়েছি, দেশ পেয়েছি। এখন রক্ত দিয়ে মানুষের জীবন বাঁচিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। তবে রক্ত কেনাবেচা এখনও বন্ধ হয়নি। দেশের তরুণরা মহৎ এ সেবায় এগিয়ে এলে একসময় কেনা রক্ত নয়, চাহিদার শত ভাগ রক্ত স্বেচ্ছা রক্তদাতারাই পূরণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলোচকরা।


এসময় স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের পক্ষ থেকে রক্তদানের অনুভূতির কথা জানান ৫১ বার রক্তদানকারী সাংবাদিক রুহুল গনি জ্যোতি এবং রক্ত গ্রহণের অনুভূতি প্রকাশ করেন থ‍্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত নিয়মিত রক্তগ্রহীতা সুমাইয়া আক্তার সিমি।
কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের পরিচালক মোটিভেশন এম রেজাউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর ডা. মনিরুজ্জামান।

পড়ুন : কিডনি দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মাসব্যাপি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন