পাকিস্তানে সেনা অভিযান শুরু করেছে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনী। আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, মঙ্গলবার মধ্য রাতে শুরু হওয়া ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামের এই অভিযান কতদূর পর্যন্ত যাবে— তা নির্ধারনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকবেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সৈয়দ আসিম মুনির।
মঙ্গলবারের অভিযান শুরুর পর নিজ দেশের অভ্যন্তরে সেনাপ্রধানের ওপর চাপ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার প্রধান কারণ পাকিস্তানের জনজীবনে সেনাবাহিনীর প্রভাব গভীর এবং সেনাপ্রধান হিসেবে আসিম মুনিরের নিয়োগ ছিল বিতর্কিত।
গত ১৭ এপ্রিল প্রবাসী পাকিস্তানিদের এক সভায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বলেছিলেন, কাশ্মির হলো পাকিস্তানের গলার ধমনী এবং কোনো পাকিস্তানি তা কখনও ভুলবে না। পাশাপাশি ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের প্রতি দৃঢ় সমর্থনও জানিয়েছিলেন তিনি।
তার এই বক্তব্য দেওয়ার ৫ দিনের মাথায়, এপ্রিল ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরের অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে পর্যটকদের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা। এতে নিহত হন ২৫ জন পর্যটক। নিহতদের অধিকাংশই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। পরে দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ) নামের একটি গোষ্ঠী এ হামলার দায়স্বীকার করে। এই টিআরএফ পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী লস্কর-ই তৈয়বার একটি উপশাখা।
এই ঘটনা নিয়ে দুই সপ্তাহ উত্তেজনা চলার পর বুধবার মধ্যরাতে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি স্থানে হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সামরিক বাহিনী। এই হামলায় ভারতীয় সামরিক বাহিনী মাত্র ২৫ মিনিটে অন্তত ২৪ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে পাকিস্তানে। এতে পাকিস্তানে কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারত।
পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীকে পাল্টা আক্রমণ করার অনুমতি দিলো পাকিস্তান
দেখুন: ভারতের দুশ্চিন্তা! পাকিস্তান খে’ল’ছে কোন খে’লা?
এস


