জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। তার পাশেই পাকিস্তান। এই দুইটি দেশে যদি এরকম যুদ্ধের একটা পরিস্থিতি দাঁড়িয়ে যায় তৃতীয় দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি যে দেশ ভুক্তভোগী হবে সেটা হচ্ছে বাংলাদেশ। আমরা আমাদের জায়গা থেকে কখনো প্রত্যাশা করি না যে আমাদের পার্শ্ববর্তী দুটি দেশে যুদ্ধ লাগুক। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্য ধরে রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর বার আউলিয়ার মাজারের বার্ষিক ওরশ শরীফ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, তবে যেভাবে পুশইন করা হচ্ছে এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। বর্তমান সরকার কঠোর পদক্ষেপ না নিলে এর দায়ভার তাদের নিতে হবে। এবং সীমান্তে পুশইনের দায় সরকার এড়াতে পারে না।
তিনি বলেন, আমরা দেখেছি প্রথম হামলাটা কিন্তু ভারত করেছে। একটা দেশের যখন ফ্যাসিস্ট সরকার চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে যায় তখন তারা এরকম যুদ্ধের মতো বিভিন্ন পরিস্থিতি ঘটানোর এবং তৈরি করার চেষ্টা করে। কারণ এর মাধ্যমে দেশ যখন অস্থিতিশীল পরিবেশে যায় তখন ওই ফ্যাসিস্ট এর বিরুদ্ধে কথা না বলে জনগণ যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কীভাবে যুদ্ধ থেকে বাঁচা যায়, ক্ষয়-ক্ষতি থেকে বাঁচা যায়।
সারজিস বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো জায়গায় করিডোর দেয়া তার পূর্বে জনগণের রায় লাগবে। বাংলাদেশের যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশে রাজনীতি করছে তাদের রায় লাগবে। এটা কোন ছোট বিষয় না। পূর্বে করিডোরের নামে বিদেশি এজেন্ট এসেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দেশে ঢুকেছে। নানা কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। এই সুযোগ আমরা আমাদের বাংলাদেশে হতে দিব না। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এই দেশের ইন্টিরিম সরকার একায় নিতে পারে না। একই সঙ্গে সামগ্রিক বিষয় পর্যবেক্ষণ করে সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, যে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আপোষহীন থাকে বলেও জানা এনসিপির এই নেতা।
পড়ুন: বেগম খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশে স্বাগতম: সারজিস আলম
দেখুন: বরগুনার জামাই হলেন সারজিস আলম
এস


