32.2 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

তুরস্ক যা‌চ্ছেন জে‌লেন‌স্কি, বৈঠক করবেন পুতিনের সঙ্গে

রাশিয়ার সঙ্গে চলা দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ মে) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তুরস্কে সাক্ষাৎ করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য কিয়েভ ইন্ডিপেনডেন্ট’ জেলেনস্কির বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে।

ওই খবরে উল্লেখ করা হয়- ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, “হত্যাকাণ্ড দীর্ঘায়িত করার কোনো মানে হয় না। আমি বৃহস্পতিবার তুরস্কে পুতিনের জন্য অপেক্ষা করব।”

তিনি বলেন, “আমরা আগামীকাল থেকে একটি সম্পূর্ণ এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি আশা করছি। যা কূটনীতির জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করবে।”

এর আগে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর চাপ তৈরি করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে জেলেনস্কির প্রতি এই চাপ তৈরি করেন তিনি।

পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘‘রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের সঙ্গে কোনও যুদ্ধবিরতি চুক্তি চান না। এর পরিবর্তে তিনি বৃহস্পতিবার তুরস্কে সরাসরি সাক্ষাতে রক্তবন্যার অবসানে আলোচনার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রুশ প্রেসিডেন্টের এই প্রস্তাবে ইউক্রেনের তাৎক্ষণিকভাবে রাজি হওয়া উচিত।’’

এর আগে পুতিনের সঙ্গে যেকোনও ধরনের আলোচনা শুরুর আগে সোমবার থেকেই রাশিয়ার কাছে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির দাবি জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।

ট্রাম্প বলেন, ‘‘ইস্তাম্বুলে সাক্ষাতে আলোচনায় কোনও চুক্তির সম্ভাবনা আছে কি না, তারা অন্তত তা বুঝতে পারবেন। আর যদি না থাকে, তাহলে ইউরোপীয় নেতারা এবং যুক্তরাষ্ট্র জানতে পারবে আসলে কোন পরিস্থিতিতে আছে বিষয়টি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবে।’’

তিনি বলেন, ‘‘ইউক্রেন আদৌ পুতিনের সঙ্গে কোনও চুক্তি করবে কি না, আমি এখন সেটি নিয়ে একটু সন্দেহ করছি। কারণ পুতিন এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় উদযাপন নিয়েই ব্যস্ত—যে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ছাড়া জেতা সম্ভব হতো না, মোটেই না! এখনই সাক্ষাৎ করুন।’’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যুদ্ধের অবসানে পুতিনের সঙ্গে জেলেনস্কিকে আলোচনায় বসতে বললেন ট্রাম্প

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন