শেয়ারবাজারে গতিশীলতা আনতে প্রধান উপদেষ্টার দেয়া ৫ নির্দেশনা বাস্তবায়নে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। প্রতিটি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সময় নির্ধারণের পাশাপাশি এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও শিল্প মন্ত্রনালয়ের চাওয়া হয়েছে সহায়তা।
বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বনাম অদৃশ্য শক্তির লড়াইয়ে বারবারই টিকে যাচ্ছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধান। পুঁজিবাজারের পরিস্থিতি এমনভাবে গোলাটে করা হয়েছে যেন এক রাশেদ মাকসুদ পদত্যাগই সব সমস্যার সমাধান।
শেয়ারবাজারে গতি ফেরাতে প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন ৫ নির্দেশনা। সেগুলোর অগ্রগতি ও কিভাবে তা বাস্তবায়ন করা যায় সে বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সোমবার বৈঠক করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান। সেটি নিয়েও গত রাত থেকে ছিলো পদত্যাগ গুঞ্জন।
এদিকে শেয়ারবাজার উন্নয়নে ৫ নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে (গ্রাফিক্স)। তিন মাসে বিদেশি বিশেষজ্ঞ আনার পাশাপাশি কর হার ইস্যু সমাধান করা হবে আসন্ন বাজেটে। এছাড়া বাকি নির্দেশনা আগামী ৬ মাসে বাস্তবায়ন করতে এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও শিল্প মন্ত্রনালয়ের চাওয়া হয়েছে সহায়তা।
বিগত বছর থেকে এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজার যাদের কথা ওঠা-বসা করেছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা তাদের বিরুদ্ধেই নিয়েছেন অবস্থান। স্বচ্ছতা আনয়ন মূল উদ্দেশ্য থাকলেও পাটা-পুতার ঘষাঘষিতে মরিচের মতো জান শেষ করছেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।
এনএ/


