১০/০২/২০২৬, ১৩:৩৫ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১৩:৩৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশি ৩৬ নারী-পুরুষ ও শিশু

ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার ৩৬ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগের পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফেরত আসারা যশোর, রাজশাহী,খুলনা, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, নাটোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল কক্সবাজার, ঢাকা, নেত্রকোনা, রংপুর, মাদারীপুর নরসিংদী ঠাকুরগাঁ, দিনাজপুর লক্ষীপুর ও চট্টগ্রাম জেলার বাসিন্দা। আইনি সহায়তা দিতে রাইটস যশোর,জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, মহিলা আইনজীবি সমিতি এবং জাস্টিস এবং শিশু সুরক্ষা সংস্থা এই ৩৬ বাংলাদেশিকে গ্রহণ করেছে।

দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথে তারা ভারতে গিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে সে দেশের পুলিশের হাতে তারা আটক হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন


জাস্টিজ অ্যান্ড কেয়ারের যশোর শাখার সিনিয়র প্রগ্রাম অফিসার আব্দুল মুহিত জানান, ভালো কাজের প্রলোভনে দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথে দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় যায়। সেখানে বিভিন্ন বাসাবাড়ি বা অন্যান্য কাজ করার সময় পুলিশ তাদের আটক করে। এ সময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে পুলিশ তাদের জেলে পাঠায়। পরে আইনি সহায়তা দিতে ভারতীয় একাধিক মানবাধিকার সংস্থা তাদের আদালত থেকে ছাড়িয়ে হেফাজতে নেয়।

তিনি আরো জানান, বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগের পর দুই দেশের সরকারের সহযোগিতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা যদি পাচারকারীদের শনাক্ত করে আইনি সহায়তা চায়, তাহলে দেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক শাহাদাত হোসেন জানান, ভারত ফেরত ৩৬ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে আমরা গ্রহন করেছি। কার্যক্রম শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে এনজিও সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার ও রাইটস যশোর মহিলা আইনজীবি সমিতি ও শিশু সুরক্ষা সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবেন।

পড়ুন : বেনাপোল সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ২

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন