বিজ্ঞাপন

হারিসের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ

১৯৭ রানের লক্ষ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বস্তিতে নেই। ৮ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেও তিন নম্বরে নামা মোহাম্মদ হারিস তাদের ভোগালেন। ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে দলের জয়ের নায়ক তিনি। ১৭.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াই্টওয়াশ হলো বাংলাদেশ।

আগের দুই ম্যাচে ৪৪ ও অপরাজিত ৫১ রানের দারুণ ইনিংস খেলা হাসান নওয়াজকে এবার ত্রিশ পার করতে দিলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩তম ওভারে বল করতে নেমে টানা ছয় ও চার হজম করার পর এক বল বিরতি দিয়ে পাকিস্তানি ব্যাটারকে ফেরালেন এই স্পিনার। রিশাদ হোসেনের ক্যাচ হয়ে থামে ১৩ বলে নওয়াজের দুটি করে চার ও ছয়ে সাজানো ২৬ রানের ইনিংস। ১৩৭ রানে ৩ উইকেট হারালো পাকিস্তান।

বিজ্ঞাপন


দশম ওভারে তানজিম হাসান সাকিবকে প্রথম বলে ছক্কা মেরে ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মোহাম্মদ হারিস। পরের বলে চার মারেন তিনি। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৯.৩ ওভারে দলীয় স্কোর একশতে নেন হারিস।

এক বল বিরতি দিয়ে সাইম আইয়ুবকে তানজিদ হাসানের ক্যাচ বানান তানজিম। ২৯ বলে দুটি চার ও চারটি ছয়ে ৪৫ রানে থামেন পাকিস্তানি ওপেনার। ৫৩ বলে ৯২ রানের জুটি ভাঙে। ৯.৫ ওভারে ১০০ রানে ২ উইকেট হারালো স্বাগতিকরা।

প্রথম ওভারে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ৮ রানে ভাঙলেও মোহাম্মদ হারিস ও সাইম আইয়ুব আগ্রাসী ব্যাটিং করেন। দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৬ রান তোলে স্বাগতিকরা। এই সময়ে বাংলাদেশ বিনা উইকেটে ৫৩ রান করেছিল।

মেহেদী হাসান মিরাজের তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নিয়ে দলের রানের খাতা খোলেন শাহিবজাদা ফারহান। চতুর্থ বলে সাইম আইয়ুব বাংলাদেশি স্পিনারকে ছক্কা মারেন। পরের বলে তিনি সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইকে পাঠান শাহিবাজাদাকে। আগের ম্যাচের সেরা পারফর্মার ডিপ স্কয়ারে সীমানার সামনে রিশাদ হোসেনের ক্যাচ হন। চার বল খেলে মাত্র ১ রান করে আউট পাকিস্তানি ওপেনার। ইনিংসের ষষ্ঠ বলে তার বিদায়ে ৮ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি।

১০.১ ওভারে বাংলাদেশ একশ রান পার করে। শেষ টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়ে তারা বড় স্কোরের আভাস দিয়েছিল। কিন্তু ১১০ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙার পর রান তোলার গতি কমে যায়। তাওহীদ হৃদয় অধিনায়ক লিটন দাসকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়েন। আব্বাস আফ্রিদির জোড়া আঘাতে বাংলাদেশ ধাক্কা খায়। শেষ ৫ ওভারে তারা চার উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান তোলে। জাকের আলীর ব্যাটে দুইশ ছুঁইছুঁই রান করে সফরকারীরা।

এর আগে পারভেজ হোসেন ইমন ৬৬ রানের ইনিংস খেলেন। তানজিদ হাসান তামিম তার সঙ্গে শতাধিক রানের জুটি গড়তে ৪২ রান করে অবদান রাখেন। এছাড়া লিটন ২২ ও হৃদয় ২৫ রান করেন।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১৯৬ রান করলো ৬ উইকেট হারিয়ে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে করা ১৭৫ রানের রেকর্ড ভেঙেছে তারা।

স্বাগতিকদের পক্ষে হাসান আলী ও আব্বাস নেন দুটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: পাকিস্তান ১৭.২ ওভারে ১৯৭/৩ (শাহিবজাদা ১, সাইম ৪৫, হারিস ১০৭*, নওয়াজ ২৬, সালমান ১০*)

বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১৯৬/৬ (ইমন ৬৬, তানজিদ ৪২, লিটন ২২, হৃদয় ২৫, শামীম ৮, জাকের ১৫*, মিরাজ ১, তানজিম ৮*)

পড়ুন : শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৯৭ রানের টার্গেট দিলো বাংলাদেশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন