আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। উত্তরের জেলাগুলোর ঐতিহ্যবাহী হাটগুলোতে বাড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়। কোথাও রয়েছে চাহিদা-সরবরাহের ফারাক, আবার কোথাও দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ঈদুল আজহা সামনে রেখে জমে উঠেছে মেহেরপুরের গাংনীর ঐতিহ্যবাহী বামন্দী পশুহাট। দুইশ বছরের পুরনো এই হাটে সপ্তাহে দুই দিন কয়েক হাজার পশু কেনাবেচা হয়। হাটজুড়ে চলছে উৎসবের আমেজ।
কোরবানি ঈদের আগে এখানে বেড়েছে গরু-ছাগলের সরবরাহ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার গরুর দাম কিছুটা কম। এদিকে, প্রতারণা ঠেকাতে সারাক্ষণ নজরদারির কথা জানান হাটের ইজারাদাররা।
জেলায় এবার প্রায় এক লাখ ৭১ হাজার কোরবানির গরু প্রস্তুতসহ, খামারিদের প্রশিক্ষণ ও হাটে জাল টাকা ঠেকানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে নওগাঁর কোরবানির পশুর হাটে ভিড় বাড়ছে। এবার ভারতীয় গরু না থাকায় দেশীয় গরুর চাহিদা বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় লাভ কমেছে। তবে, ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা।
প্রাকৃতিক উপায়ে পশু পালনে জেলার খামারিদের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানায় জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
হাটগুলোতে দাম নির্ধারণে তদারকিসহ, সীমান্তবর্তী ভারতীয় গরু যেন না আসে সেলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবে প্রশাসন, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
এনএ/


