বিজ্ঞাপন

সিঙ্গাপুর সাফল্যের তিনটি স্বর্ণই জেতে কোয়ান্টামের পাঁচ জিমন্যাস্ট

সিঙ্গাপুর ওপেন জিমন্যাস্টিকসের ২০তম আসরে দারুণ সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ অর্জন করেছে ১৩টি পদক। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পক্ষে অর্জিত তিনটি স্বর্ণপদকই অর্জন করেন কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের জিমন্যাস্টরা। সিনিয়র এবং জুনিয়র মোট ৭ জনকে নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয় জিমন্যাস্টিকস দলের এই সাফল্যের নেপথ্য কারিগর ৫ জনই কোয়ান্টামের শিক্ষার্থী। অর্জিত ১৩ পদকের মধ্যে তারাই অর্জন করেন ১০টি।

বিজ্ঞাপন


সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এবারের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশের মোট ১৫টি দল অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় জুনিয়র দলগত বিভাগে বাংলাদেশের তিন প্রতিভাবান খেলোয়াড় প্রেনথৈ ম্রো, উটিংওয়াং মার্মা এবং মেনটন টনি ম্রো অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কোনো প্রতিযোগিতায় দলীয়ভাবে দেশের জন্যে স্বর্ণপদক জয় করেন। এ তিনজন খেলোয়াড়ই কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়া জুনিয়র ইনডিভিজ্যুয়াল অল-অ্যারাউন্ড বিভাগে প্রেনথৈ ম্রো নিজের ক্রীড়াকৌশলের মাধ্যমে অর্জন করেন একটি ব্রোঞ্জ পদক। দেশের পক্ষে এই বিভাগে এমন অর্জন এটিই প্রথম।


অন্যদিকে বাংলাদেশ সিনিয়র জিমন্যাস্টিকস দল রৌপ্যপদক অর্জন করে। চারজনের এই টিমে দুজনই ছিলেন কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী। এরা হলেন- রাজীব চাকমা ও উহাই মং মার্মা। অন্য দুজনের একজন হলেন বিকেএসপির এবং অন্যজন যুক্তরাষ্ট্র থেকে খেলতে আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন জিমন্যাস্ট। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পক্ষে অর্জিত তিনটি স্বর্ণপদকই অর্জন করেন কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের জিমন্যাস্টরা।


প্রতিযোগিতায় প্রথম দিনে তিনটি, দ্বিতীয় দিনে চারটি এবং শেষ দিনে ছয়টি পদক জয় করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি সোনা, পাঁচটি রুপা ও পাঁচটি ব্রোঞ্জ। তিনটি স্বর্ণের মধ্যে একটি এসেছে জুনিয়র টিম ইভেন্টে, যেখানে অংশ নিয়েছেন প্রেনথৈ ম্রো, উটিংওয়াং মার্মা এবং মেনটন টনি ম্রো। দ্বিতীয় স্বর্ণটি পেয়েছেন মেনটন টনি পোমেল হর্সে। আর শেষ দিনে ভল্টিং টেবিলে উটিংওয়াং মার্মা পেয়েছেন ব্যক্তিগত স্বর্ণপদক। স্বর্ণপদকজয়ী এই জিমন্যাস্টদের সবাই কোয়ান্টামের শিক্ষার্থী।


টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স এসেছে প্রেনথৈ ম্রো-এর কাছ থেকে। তিনদিনে তিনি একাই জিতেছেন পাঁচটি পদক- একটি স্বর্ণ, দুটি রৌপ্য এবং দুটি ব্রোঞ্জ। বিশেষ করে হাইবার ও ভল্টিং টেবিলে তার রৌপ্যজয় নজর কেড়েছে। শুধু জুনিয়র নয়, সিনিয়র বিভাগেও পদক পেয়েছেন এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা। রাজীব চাকমা হাইবারে পেয়েছেন ব্রোঞ্জ এবং সিনিয়র টিম ইভেন্টে রাজীব চাকমা ও উহাইমং মার্মা পেয়েছেন রৌপ্য পদক।


‘অলিম্পিকে সোনা আমরা জিতবই’- এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের লামাতে প্রতিষ্ঠিত কোয়ান্টাম কসমো স্কুল পরিচালনা করে আসছে বিশ্ব অলিম্পিকের ইভেন্ট জিমন্যাস্টিকস, টেবিল টেনিস, ভলিবল ও বাস্কেটবল। স্পোর্টস ইভেন্ট ছাড়াও এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রয়েছে মার্চিং ব্যান্ড, মার্চ পাস্ট, ডিসপ্লে, সঙ্গীতসহ সৃজনশীল ১১৬টি কার্যক্রম। অসাধারণ সাফল্য প্রদর্শনের মাধ্যমে এর আগেও দেশে-বিদেশে ধারাবাহিক নৈপুণ্য দেখিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা।

পড়ুন: ভোলায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও অস্ত্রসহ দুর্ধর্ষ ২ ডাকাত আটক

দেখুন: আগামী বৃহস্পতিবার, ভোট দিয়ে দেখুন পছন্দের সিনেমা |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন