ভিক্ষা এবং অন্যান্য আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার জন্য অন্য দেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে পাকিস্তানে ফিরে এসেছেন— এমন নাগরিকদের পাসপোর্ট বাতিল করছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয় রোববার দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেট কমিটিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এফআইএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন নাগরিকের পাসপোর্ট বাতিলের লক্ষ্য নিয়েছেন। এদের মধ্যে গত মে মাসে ৫ হাজার ৬ শতাধিকের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। এই নাগরিকদের কেউ সৌদি আরব, কেউ ওমান, কেউ বা কাতার থেকে ফিরে এসেছেন ২০১৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে। এদের সবার বিরুদ্ধেই ভিক্ষা ও অন্যান্য আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
যাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হচ্ছে, তাদের সবার স্থান হবে পাসপোর্ট কন্ট্রোল লিস্ট বা পিসিএল-এ। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, কোনো নাগরিক যদি একবার পিসিএল তালিকাভুক্ত হন— তাহলে কমপক্ষে ৫ বছরের জন্য তিনি নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেন।
প্রসঙ্গত, বিদেশে থাকা পাকিস্তানিদের বিভিন্ন আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড নিয়ে বিব্রত পাকিস্তানের সরকার। বহু বছর ধরে এই অবস্থা চলছে। বিদেশে সাধারণত ভিক্ষাবৃত্তি, প্রতারণা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, অবৈধ পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথি তৈরির চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতাসহ বিভিন্ন অপরাধে পাকিস্তানিদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
আগে খুব বেশি পাকিস্তানি নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হতো না বলে বিষয়টি সেভাবে নজরে পড়ত না, কিন্তু সাম্প্রতিক গত কয়েক বছর ধরে নিয়মিত শত শত পাকিস্তানিকে ফেরত পাঠাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। শুধু ২০২৪ সালেই দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে লক্ষাধিক পাকিস্তানিকে।
পড়ুন: ‘ভারতীয় প্রক্সি বাহিনী’র সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাদের বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১৪
দেখুন: উ/ত্ত/প্ত কাশ্মীর: আলোচনায় ভারত-পাকিস্তান যু/দ্ধ
এস


