বাছাইপর্বের ম্যাচে নরওয়ের কাছে ৩-০ গোলে হেরেছে ইতালি। ইউরোপিয়ান অঞ্চলের কোয়ালিফাই পর্বে এটাই ছিল প্রথম ম্যাচ। কিন্তু পরিস্থিতি এখন এমন, এই ম্যাচটাই বিপর্যয় ডেকে এনেছে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন নিয়ে।
চারটি শিরোপা জিতে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সফলতম দল ইতালি। তবে গেল দুই বছর বিশ্বকাপেই খেলতে পারেনি তারা। মাঝে একবার ইউরো জিতলেও বিশ্বকাপ থেকে বেশ দূরেই আছে তারা। এবারেও শুরুটা হলো মন্দ। নরওয়ে যখন নিজেদের তৃতীয় ম্যাচেও জয় পেয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে, তখন ইতালি আছে পয়েন্ট টেবিলে একেবারে নিচে।
ইউরোপের বাছাইপর্বের নিয়ম অনুযায়ী, ৪৮ দলের ২০২৬ বিশ্বকাপে ইউরোপ থেকে অংশ নেবে ১৬টি দল। এর মধ্যে বাছাইপর্বের প্রথম রাউন্ড থেকে উঠবে ১২টি দল। প্রথম রাউন্ড থেকে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দলটিই শুধু বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। বাকি চারটি দল চূড়ান্ত হবে প্লে–অফ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। গ্রুপভিত্তিক প্রথম রাউন্ডের বাছাইয়ে অংশ নিচ্ছে মোট ৫৪টি দল। এই দলগুলোকে ৪ ও ৫ দল করে মোট ১২টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ইতালি আছে ‘আই’ গ্রুপে।
গ্রুপে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলবে। ইতালির পরের ম্যাচ মলদোভার বিপক্ষে সোমবার। গ্রুপের অন্য দুই দল এস্তোনিয়া ও ইসরায়েল। আজ্জুরিদের সামনে ৭ ম্যাচ বাকি। বাকি সব ম্যাচ জিতলেও ইতালি গ্রুপসেরা হয়ে বিশ্বকাপে যাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। বিপরীতে নরওয়ের পয়েন্ট ৩ ম্যাচে ৯ হয়ে যাওয়াতে দলটির পক্ষে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করা অনেকটাই সহজ।
অবশ্য গ্রুপ রানার্সআপ হলে আরেকটি সুযোগ মিলবে। তখন ১২টি গ্রুপের রানার্সআপ ও উয়েফা নেশনস লিগের চারটি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে প্লে–অফভিত্তিক দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা। ২০২২ বিশ্বকাপের বাছাইয়ে এই প্লে–অফ পর্ব থেকেই বাদ পড়েছিল ইতালি।
পড়ুন: ২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়সূচি ও ভেন্যুর নাম ঘোষণা
এস


