বিজ্ঞাপন

আমাকে কালো জাদু করা হয়েছিল, ২২ দিন আইসিউতে ছিলাম’

বিজ্ঞাপন

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা তানিন সুবাহর মৃত্যুর পর নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অল্প বয়সে এই অভিনেত্রীর না ফেরার দেশে পাড়ি জমানোর বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না তার ভক্ত-সহশিল্পীরা। এর মধ্যেই তার অসুস্থতার প্রসঙ্গ এবং নিজের অসুস্থতার প্রসঙ্গ টেনে একটি পোস্ট দিয়েছেন নায়িকা মিষ্টি জান্নাত। যেখানে তিনি ‘কালো জাদু’র মাধ্যমে বিশেষরকম অসুস্থ হয়েছিলেন বলে দাবি করেন।  

মৃত্যুর আগে করা তানিন সুবহার একটি ফেসবুক পোস্ট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১৯ মে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অভিনেত্রী জানান, কিছু কারণে তিনি বর্তমানে তাবিজ-কুফরিতে বিশ্বাস করেন।

তিনি লেখেন, ‘সুস্থ একটা মানুষকে এভাবে মেরে ফেলার চেষ্টা করে কী লাভ? ঘরের আনাচে কানাচে কত কী যে পেলাম। কেন এমন করছেন! আমি তো কারো ক্ষতি করিনি। লাস্ট ৪ মাস ধরে শুধু অসুস্থ আর অসুস্থ আমি। এসবের ফল পাবেন, চিন্তা কইরেন না। আল্লাহ ছাড় দেয় কিন্তু ছেড়ে দেয় না।’ 

এই ফেসবুক পোস্টের কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন অভিনেত্রী। এরপর ‘কালো জাদু’ নিয়ে নানা আলোচনা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এবার সেই আলোচনায় যোগ দিলেন চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাত। তিনি জানালেন ২০১৭ সালে কালো জাদুর শিকার হয়েছিলেন তিনি। এমনকি ২২ দিন আইসিইউতেও ছিলেন।

বুধবার বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে মিষ্টি জান্নাত লিখেছেন, আমাকে ২০১৭ সালে কালো জাদু করা হয়েছিল। আমি জানি এটার ভয়াবহতা। আমি কলকাতার একটা হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলাম ২২ দিন। আমার সমস্ত শরীরে পানি জমে ছিল। তখন আমার মিডিয়াতে টপ হাইপ ছিলো। একের পর এক সিনেমা ছিলো। তারপর থেকে আমি সব কাজ কমিয়ে দিয়েছি। 

অভিনেত্রী আরও উল্লেখ করেন, আমাকে হুজুরের কাছে দেখানো হয়েছে অনেকবার। যখন আমি ভালো কিছু করতে যাই একটা গ্রুপ আমার পেছনে পড়ে থাকে। তারা বারবার চায় আমি যেন মরে যাই। এখন চাচ্ছে বিভিন্ন মানুষ দিয়ে বাজে কমেন্ট, নিউজ করিয়ে আমাকে মানসিকভাবে আঘাত করে সুইসাইড করাতে। কিন্তু আমি সুইসাইড করার মেয়ে না। আমার যদি কিছু হয় তাহলে ওরা দায়ী থাকবে। আবারও আমার পিছে লেগেছে ওরা। 

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের নামগুলো ডায়েরিতে লিখে রেখেছেন জানিয়ে মিষ্টি জান্নাত বলেন, নামগুলো আমার ডায়রিতে আছে। 

পড়ুন: সৌন্দর্য বাড়াতে একের পর এক সার্জারি, সে কারণেই কি অকালমৃত্যু শ্রীদেবীর

দেখুন: ‘বুবলীকে ঘাড় ধরে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল

ইম/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন