বিজ্ঞাপন

দিন দিন কীভাবে আরও তরুণ হচ্ছেন, জানালেন মাধবন

কেসারি: চ্যাপ্টার ২’-এ ভয়ঙ্কর খলনায়কের চরিত্রে দর্শকদের চমকে দেওয়ার পর এবার নতুন এক লুকে ফিরছেন অভিনেতা আর মাধবন। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসছে তার নতুন ছবি ‘আপ জৈসা কোই’। 

বিজ্ঞাপন

প্রেম, অসম্পূর্ণতা আর জীবনের ছোট ছোট সমঝোতা—এই সব কিছুর মিশেলে তৈরি হয়েছে ছবির কাহিনি। ট্রেলারে যেমন দেখা গেছে, ছবিতে মাধবনের বিপরীতে রয়েছেন ফাতিমা সানা শেখ।

কিন্তু শুধু গল্প নয়, ছবিটির আরও একটি বিষয় নিয়ে নেটপাড়ায় জোর আলোচনা চলছে—সেটা হল মাধবনের চেহারা! 

সদ্য প্রকাশিত ট্রেলারে অভিনেতার অবিশ্বাস্যভাবে তরুণ ও ঝকঝকে লুক দেখে অনেকেই বলছেন, বয়স যেন তার গায়ে লাগে না। এমনকি অনেকে মনে করছেন, বোধহয় ভিএফএক্সের সাহায্যে তাকে ‘ডি-এজিং’ করা হয়েছে।

তবে এসব জল্পনাকে একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন মাধবন নিজেই। ট্রেলার লঞ্চের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিনেতা বলেন, “অনেকে বলছেন আমি ডি-এজিং করিয়েছি, কিন্তু আমার তেমন বাজেট নেই!”

পাশাপাশি তিনি জানান, এর পেছনে কোনও প্রযুক্তির হাত নেই, বরং রয়েছে সোজাসাপ্টা একটা জীবন—কম খাওয়া আর নিয়মিত শরীরচর্চা।

২০১৬ সালে ‘সালা খাড়ুস’ ছবির জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় থেকেই নিজের রুটিন বদলাতে শুরু করেন মাধবন। বহু পুষ্টিবিদ ও ফিটনেস ট্রেনারের পরামর্শ নিলেও কোনওটাই তার সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই ছিল না বলে জানান অভিনেতা। 

শেষে নিজের শরীরকে বোঝার চেষ্টা করে ঠিক করেন—”আগে যতটা খেতাম, তার থেকে একটু কম খাওয়া শুরু করলাম। আর তাতেই কাজ দিল।”

মাধবনের এই খোলামেলা জবাব এমন সময় এসেছে, যখন বলিউডে ডি-এজিং নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। আমির খান নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “আজকাল বয়স কোনও বাধা নয়, ভিএফএক্স আছে তো।” 

অন্যদিকে সালমান খানের চেহারা নিয়েও মাঝে মধ্যেই ডি-এজিং-এর গুঞ্জন ওঠে, যদিও তিনি কখনও এ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।

এবার মাধবন এই আলোচনা থেকে নিজেকে গা বাঁচিয়ে জানান দিলেন—তিনি কিন্তু পুরোটাই স্বাভাবিক। 

‘আপ জৈসা কোই’ মুক্তি পাবে আগামী ১১ জুলাই। বাস্তব সম্পর্কের জটিলতা আর এক অনবদ্য ভালোবাসার গল্প দেখার পাশাপাশি দর্শক দেখবেন এক ‘টাইমলেস’ মাধবনকে।

পড়ুন: প্রথম সপ্তাহে কতো আয় করলো ‘সিতারে জামিন পার

দেখুন: মারিয়ার রান্নাঘরে সংগীতশিল্পী কোনাল

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন