১২/০২/২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ছাত্রলীগ সভাপতি সুমনের নেতৃত্বে বিবস্ত্র করে ভিডিও করা হয়

কুমিল্লার মুরাদনগরের বহুল আলোচিত ধর্ষণ ও নির্যাতনকাণ্ডে নতুন করে আরও একটি ভয়াবহ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা মুহাম্মদ আলী সুমনের নেতৃত্বে দলবদ্ধভাবে এক নারী ও পুরুষকে বিবস্ত্র করে নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

সোমবার (৩০ জুন) সকালে ‘তোদের বাপ আইছে’ নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়, শুরু হয় নতুন করে উত্তেজনা ও সমালোচনা। এর আগে ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল।

নতুন ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মুহাম্মদ আলী সুমন ও তার সহযোগীরা—রমজান, অনিক, আরিফসহ ৭-৮ জন মিলে ফজর আলীর হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালাচ্ছে। ফজর আলী সেই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত। ভিডিওতে সুমনের সহযোগী অনিককে চৌকির ওপরে শোয়ানো অবস্থায় নির্যাতিত নারীকে নিজ হাতে বিবস্ত্র করতে দেখা যায়।

পাশেই এক নারী কান্না ও চিৎকার করে ঘটনার প্রতিবাদ করছেন, তবে কেউ তাকে থামানোর চেষ্টা করেনি। বরং অন্যরা ঘটনার ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, “ঘটনাটির সর্বশেষ ভিডিও আমরা পেয়েছি। এতে আরও যেসব ব্যক্তি জড়িত, তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ধর্ষণের প্রধান অভিযুক্ত ফজর আলী এবং ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিওর অন্যান্য দৃশ্য ও বক্তব্য বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হচ্ছি কে বা কারা আর জড়িত আছে, প্রমাণ পেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।”

এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় নতুন করে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ বিচার দাবি করে বলছেন, এ ধরনের বর্বর নির্যাতন শুধু আইন নয়, মানবতারও চরম লঙ্ঘন। দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : মুরাদনগরে ধর্ষণ ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার ৪ আসামিকে কারাগারে

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন