বিজ্ঞাপন

মাদরাসার শিক্ষার্থীকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি: অপহৃতা উদ্ধার, ২ জন গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ হতে ১৩ বছরের মাদরাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণপূর্বক মুক্তিপণ দাবি। অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪।

বিজ্ঞাপন

অপহরণ চক্রের গ্রেফতারকৃত দুই সদস্য হলেন- ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানাধীন মধুপুর গ্রামের মো. আলমের ছেলে নাঈম ইসলাম (২৩) এবং আরেকজন একই গ্রামের হুনরত আলীর ছেলে ওলিওল্লাহ (৩৫)।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ র‌্যাবের (সিপিএসসি) অধিনায়কের পক্ষে থেকে এতথ্য জানায় মিডিয়া অফিসার সিনিয়র সহকারী পরিচালক।

র‌্যাব জানায় , গত ২৫ জুন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বাড়ি থেকে মাদরাসা যাওয়ার পথের মধ্যে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরসভার হাটমোহনগঞ্জ এলাকার কাপড় পট্টি মোড় থেকে অজ্ঞান করে ভুক্তভোগী মাদরাসার শিক্ষার্থীকে মাইক্রোতে তুলে নিয়ে যায়। প্রতিদিনের ন্যায় ভুক্তভোগী বাড়িতে না ফিরলে মাতাসহ পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজি শুরু করেন। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে অজ্ঞাত মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন করে নয় লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ভুক্তভোগীর মা অপহরণকারীদের অনুরোধ করেন এবং দুই লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিতে চাইলে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে ফেরত দিতে সম্মত হন।

র‌্যাব আরও জানায়, গত ২৯ জুন বিকেলে অনুমান ৪টার দিকে অপহরণকারীরা মুক্তিপণের বিনিময়ে ভুক্তভোগীক ফেরত দিবে মর্মে ভুক্তভোগীর মা’কে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানাধীন শম্ভুগঞ্জ ব্রীজে ডাকেন। এদিকে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে ফেরতে দিবে মর্মে ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাতে থাকে। ওইদিন সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৭টার দিকে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানাধীন চায়না মোড় এলাকায় মুক্তিপণের টাকা নিতে আসলে ভুক্তভোগীর মা, এলাোবাসী ও র‌্যাব-১৪ এর সহায়তায় অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে।

পরবর্তীতে র‌্যাবের সদস্যরা অপহরণকারীদের কাছ থেকে অপহৃত ভুক্তভোগীকে উদ্ধারসহ অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গত ৩০ জুন মোহনগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ে করেন বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পড়ুন: হাতিয়া যৌথ বাহিন অভিযানে নারী’সহ আটক-৪, আগ্নেয়াস্ত্র, স্বর্ণ উদ্ধার

দেখুন: জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে প্রামাণ্য অনুষ্ঠান

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন