26.3 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ২২:০৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় পৃথক দুই স্থানে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) উপজেলার লেংগুড়া ও রংছাতি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

প্রথম ঘটনাটি ঘটে লেংগুড়া ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে তিন বছর বয়সি নিহত শিশু মো. মুমিন। সে ওই গ্রামের ওমর ফারুক ও জোৎস্না বেগম দম্পতির সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে শিশুটির মা গৃহস্থালি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় মুমিন বাড়ির আঙিনায় খেলছিল। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে প্রতিবেশী কয়েকজন নারী বাড়ির পাশের পুকুরে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মানিকপুর গ্রামের বাসিন্দা আজিজুল হক।

অপরদিকে, রংছাতি ইউনিয়নের রংছাতি গ্রামে ১৫ মাস বয়সী মুবাশ্বির নামে এক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। নিহত মুবাশ্বির ওই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ও সাবিকুন নাহার দম্পতির কনিষ্ঠ সন্তান।

জানা যায়, শিশুটি হামাগুড়ি দিয়ে চলাফেরা করতে পারত। বুধবার বিকাল ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে বাড়ির পূর্ব পাশে নিজ পুকুরে মুবাশ্বির পড়ে যায়। ঘটনার সময় মুবাশ্বিরের মা সাবিকুন নাহার আছরের নামাজ আদায় করছিলেন। এই ফাঁকে শিশুটি সবার অজান্তে বাইরে চলে যায়। শিশুটি মামাতো ভাই শামীম তাকে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে আসে।পরে তাকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পৃথক দুই স্থানের পানিতে ডুবে শিশুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পড়ুন: সরকারী বালু চুরি, বাবা ভাইসহ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা

দেখুন: বন্যা:নোয়াখালী ৯ উপজেলায় পানিবন্দি ২০ লাখ মানুষ

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন