বিএনপির ৩১ দফা মানেই গণতন্ত্র, আর এই ৩১ দফার মধ্যেই রয়েছে আগামীর বাংলাদেশের রূপরেখা—এ কথা জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস। তিনি বলেন, “এই ঘোষণার মধ্যেই আছে ভবিষ্যতে সরকার গঠনের রূপরেখা, কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং নারী ও শিশু মুক্তির দিকনির্দেশনা।”
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে আখাউড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ মাঠে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত জনসভা ও নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের দায়িত্বশীল নেতা কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন সরকার তুহিন, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইসমত আরা, সাধারণ সম্পাদক শামীমা বাছির স্মৃতি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আব্দু, সাধারণ সম্পাদক ডা. খোরশেদ আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আকতার খান এবং উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী অন্তরা চৌধুরী।
সভা সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম ভূঁইয়া।
আফরোজা আব্বাস বলেন, “নারীরা শুধু রাজনীতি করে না, তারা সংসার সামলায়, সন্তান প্রতিপালন করে এবং দেশের প্রয়োজনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। নারীদের অধিকার আদায়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। আর তারেক রহমানই হলেন নির্যাতিত মানুষের কাঁধে হাত রাখা সত্যিকারের নেতা।”
সভায় তিনি উপস্থিত নারীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন—”আপনাদের নেতা কে?” উপস্থিত সকলে সাড়া দেন—”কবীর ভূঁইয়া, কবীর ভূঁইয়া।” তিনি আরো বলেন, সৈরাচারী হাসিনা পালিয়ে গিয়েছিল। মামলা দিয়েছিল, বাড়ি ছাড়া করেছিল তবু আমাদের মা দেশনেত্রী খালেদা জিয়া পালিয়ে যায়নি।
এর আগে দুপুর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে নারীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। এ সময় আখাউড়া পৌর শহর মিছিলের নগরীতে রূপ নেয়।
পড়ুন : আখাউড়ায় সীমান্তবর্তী বাড়িতে অভিযান, তিন ভাই-বোনসহ গ্রেপ্তার ৫


