জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি কিছুটা উত্তাল। এনসিপির পদযাত্রা ঠেকাতে বিভিন্ন জায়গায় সড়কে গাছ ফেলে অবরোধ করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। যদিও এসবের কিছুই জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বকে দেশ গড়ার প্রত্যয় থেকে হটাতে পারবে না বলে দাবি স্থানীয় এনসিপি নেতাদের।
জানা গেছে, এনসিপি প্রতিনিধি দল বরিশাল থেকে কোটালীপাড়া সড়ক হয়ে গোপালগঞ্জ আসবে এই খবর পেয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল থেকে গোপালগঞ্জ টু কোটালীপাড়া সড়কে গাছ কেটে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এছাড়া কাঠি বাজারে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের।
এদিকে দুপুর ১২টার দিকে জেলার বিভিন্নস্থানে নাশকতা, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সদর উপজেলা কংশুর এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মীকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর গোপালগঞ্জ ক্যাম্পের গোয়েন্দা সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটকদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এদিকে, এনসিপি কেন্দ্রীয় কর্মসূচি জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাড়ি বহরে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
তবে স্থানীয় এনসিপি নেতা-কর্মীরা বলেন, গোপালগঞ্জের সাধারণ ছাত্র জনতাই ওই দলের অল্প সংখ্যক অন্ধভক্ত লোকজনের নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড রুখে দিবে বলেই আমাদের বিশ্বাস। কেউ নতুন বাংলাদেশে পথ রুখে দিতে পারবে না। আমরা সেটা হতে দিব না। জুলাই আন্দোলনকারীরা তখনই মাথায় কফিন বেঁধে নেমেছিল তাদের মৃত্যুর ভয় নেই। কিছু কুক্ষিগত মানুষের হাতে দেশ থাকবে না এই দেশ হবে সবার।
পড়ুন : এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে ইউএনওর গাড়ি বহরে হামলা


