১৪/০১/২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ত্রিপুরা কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে চার যুবক আটক

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া এলাকায় এক ত্রিপুরা কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চার যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে সেনাবাহিনী। গতকাল বুধবার দিবাগত ভোর রাতে ভাইবোন ছড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরও দুই যুবক পলাতক রয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে ভিকটিমের পিতা ছয় যুবককে অভিযুক্ত করে খাগড়াছড়ি সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

আটককৃতরা হলেন, সাদ্দাম হোসেন, এনায়েত, সাকিব আলম এবং আরমান হোসেন। এ ছাড়াও ঘটনায় অভিযুক্ত পলাতক দুইজন হলেন মুনির হোসেন ও সোহেল ইসলাম। এরা সকলেই ভাইবোন ছড়া এলাকার বাসিন্দা।

মামলার এজাহার ও ভিকটিমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন রথযাত্রা মেলায় অংশ নেওয়ার পর এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাতযাপন করে ওই কিশোরী। সেদিন রাতে অভিযুক্ত ছয় যুবক ওই আত্মীয়ের বাড়িতর ঢুকে পড়ে। তারা কিশোরী ও ঘরে থাকা এক যুবকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তোলে। এরপর যুবকটিকে বেঁধে রেখে কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পর ভয়ে ও লজ্জায় মেয়েটি কাউকে কিছু জানায়নি। তবে সম্প্রতি বিষপান করার পর তাকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। জ্ঞান ফেরার পর পুরো ঘটনা পরিবারের সদস্যদের জানায় সে।

তবে অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা বলছে ভিন্ন কথা, তাদের দাবি অভিযুক্তরা মেয়েটিকে ধর্ষণ করেনি। মূলত ওই রাতে অন্য এক যুবকের সাথে বদ্ধ ঘরে আপত্তিকর কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় অভিযুক্তরা ওই কিশোরীকে হাতেনাতে ধরে। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে অথবা পরিবারের ভয়ে কিশোরীটি গণধর্ষণের নাটক সাজিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্তদের অধিকাংশই রাজনীতি করেন। তারা বিএনপির অঙ্গ, সংগঠনের সাথে যুক্ত।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আরোফিন জুয়েল বলেন, মামলা হওয়ার পরপরই অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি দুইজনকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী বর্তমানে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আজ তার জবানবন্দি নেওয়া হবে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার পর পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ফুটবল লীগ নিয়ে খাগড়াছড়িতে মিট দ্যা প্রেস

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন