31.2 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুর চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ

শরীয়তপুর চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ কর্তৃপক্ষের অবহেলায় সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মহাসড়কটি ভেদরগঞ্জ উপজেলার বাবুল খার দিঘির পুর্ব পাশ থেকে সাজানপুর বাজার পর্যন্ত ৬০০ মিটার কার্পেটিং কাজ করার ২ সপ্তাহেই পিচ উঠে খানাখন্দর সৃষ্টি হয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে পথচারী ও স্থানীয়রা। মুলত নিম্নমানের বিটুমিন ও বৃষ্টির মধ্যে ঠিকাদার কার্পেটিং কাজ করায় রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে বলছেন স্থানীয় বৈষম্যেবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও স্থানীয়রা।

বিজ্ঞাপন

শরীয়তপুর সড়ক বিভাগ সুত্রে জানা যায়, মেসার্স ভুইয়া কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের নামে জাজিহার বাবুল খার দিঘি থেকে সাজানপুর বাজার পর্যন্ত ৬০০ মিটার কাজ বরাদ্দ দেয় সরকার। সেখানে টেন্ডার বরাদ্দ আসে ১০% লেইজ এ ৬৫ লাখ টাকা। কিন্তু ঠিকাদার কাজটি রুহুল আমিন ও জাকির হাওলাদার ও সঞ্জয় এর মাধ্যমে রাস্তার কাজটি সম্পন্ন করে। ঠিকাদাররা হালকা বৃষ্টির মধ্যে কার্পেটিংর কাজ করে। তখন বিষটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানালে তিনি কাজ বন্ধ করেন। তার একদিন পরে আবারো হালকা বৃষ্টির মাঝেই ঠিকাদার কার্পেটিং করে। যার কানে ভাংছে।

সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কটির ৬০০ মিটারের ৪০০ মিটার অংশই ভেঙে পড়েছে। অন্তত ৫০ টি অংশে নতুন করে গর্ত তৈরি হয়েছে। গর্তে পানি জমে রয়েছে। তবে রাস্তা নির্মনের ১৫ দিনেই এমন খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। কতৃপক্ষের অবহেলা ও ঠিকাদার নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহারের ফলেই সড়কের এমনঅবস্থা হয়েছে দাবি স্থানীয়দের।সড়কটি দ্রুত সংস্থারের দাবি পথচারী ও স্থানীয়দের।

বৈষম্যে বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা মুক্ষ্য সংগঠক শালেহ আকরাম ও লিটন সরদার বলেন, রাস্তাটি করার সময় বাধা দিয়েছি তবুও তারা বৃষ্টির মধ্যেই কাজ করে। নিম্নমানের বিটুমিনও ব্যবহার করেছে। কতৃপক্ষের অবহেলায় ঠিকাদার এমন নচু মানের কাজ করেছে। মাত্র ১৫ দিনে রাস্তা শেষ। রাস্তাটি পুনরায় নির্মান করা হউক।

ঠিকাদার শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি বুহুল আমিন বলেন, ভাই রাস্তাটি হালকা বৃষ্টির সময় করেছি। পরে স্যার কাজটি বন্ধ কেরেছিল। পরে ২ দিন পরে কার্পেটিং করেছি। কিছু জায়গায় গর্তে পানি ছিল তাই হয়ত সেসব জায়গায় ভাংছে। ভাঙাস্থান ঠিক করে দিব।

শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন বলেন, বৃষ্টির মধ্যে কার্পেটিং করার খবর পেয়ে আমরা সেদিন কাজ বন্ধ করেছি। কিন্তু গর্তগুলোতে পানি থাকা অবস্থায় সে আবার দুদিন পরেই কাজটি শেষ করে। তবে এখন যদি রাস্তাটি ভেঙে গেছে ঠিকাদারকে দিয়ে সমধান করানো হবে।

পড়ুন: জয়পুরহাটে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

দেখুন: ময়লার মূল্য ১৪০ কোটি টাকা 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন