১৩/০২/২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ছাত্রদলকে রুখে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশে কারও নেই : সভাপতি রাকিবুল

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমাবেশ শুরু হয়েছে। আজ রোববার বেলা আড়াইটার দিকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলামের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাবেশ শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘ছাত্রদলকে রুখে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলাদেশে কারও নেই।’

সূচনা বক্তব্যে রাকিবুল ইসলাম আরও বলেন, ‘দেশকে যারা অস্থিতিশীল করতে চায়, ছাত্রদল চাইলে সেই ষড়যন্ত্রকারীদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে পারে। ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমান যদি নির্দেশনা দেন, নেতা–কর্মীরা সারা দেশ অবরোধ করে দিতে পারে।’

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন।

এরই মধ্যে সমাবেশ মঞ্চে রয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিনসহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ ছাত্রদলের সাবেক নেতারাও মঞ্চে রয়েছেন।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সমাবেশ সঞ্চালনা করছেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।

সকাল থেকেই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি, রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে সমাবেশস্থলে আসেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শাহবাগ চত্বরে টিএসসির দিকে মুখ করে মঞ্চ বানানো হয়েছে।

সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কপালে ও মাথায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা বেঁধে, ছাত্রদলের নাম ও লোগোযুক্ত ব্যান্ড পরে সমাবেশস্থলে এসেছেন। ছাত্রদল ও বিএনপির দলীয় পতাকা হাতেও অনেককে দেখা গেছে। সমাবেশস্থলে ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমানের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন নেতা–কর্মীরা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শাহবাগে সমাবেশস্থলে ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের স্রোত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন