বিজ্ঞাপন

চাকরি ছেড়ে রিলস বানিয়ে কোটি টাকা আয় করছেন অভিনেত্রী

বেশ কয়েক মাস আগে ভারতের একটি রিয়েলিটি শো-এর জেরে বিতর্কিত হয়ে শিরোনামে এসেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েনসার ও অভিনেত্রী অপূর্বা মুখিজা। তবে বেশ আগে থেকেই তিনি পরিচিত ‘দ্য রেবেল কিড’ নামে, ইনস্টাগ্রামে ‘কলেশি অরাত’ নামে সমান জনপ্রিয় তিনি। এখন এই পরিচিতি তাকে বানিয়ে দিয়েছে কোটিপতি।  

বিজ্ঞাপন

দিল্লীর একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম অপূর্বার। পড়াশোনা করেন সেখানেই, কম্পিউটার সায়েন্স থেকে অর্জন করেন ডিগ্রী। স্নাতক উত্তীর্ণ হওয়ার পর চাকরি করেন প্রযুক্তি সংস্থা ‘ডেল’ এ। অনেকদিন এই চাকরি করে তিনি বুঝতে পারেন, দিনে আট ঘণ্টার ডিউটি তার জন্য নয়।

২০১৯ সালে প্রেমে বিচ্ছেদ এবং চাকরি ছাড়ার পরে যখন তিনি প্রথম ইনস্টাগ্রামে আসেন, নিত্যদিনের ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে দেখানোর মধ্য দিয়ে ছোট ছোট কমেডি ভিডিও বানাতে শুরু করলেন। তারপরেই ক্রমে ভাইরাল হয়ে যায় তার কনটেন্ট। তার স্পষ্টভাষী উপস্থাপনা, স্পষ্ট স্ক্রিপ্ট, সমাজ ও সম্পর্ক নিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি নির্ভীক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে একটি অনুগত অনুরাগীমহল তৈরি করে দেয়।

কিন্তু অপূর্বা জনপ্রিয়তাতেই কেবল থেমে থাকেননি। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন, মেটা, নাইকি, গুগল, ওয়ানপ্লাসের মত হেভিওয়েট সহ আরও ১৫০টি ব্র্যান্ড পার্টনারশিপের মাধ্যমে অপূর্বা মখিজার রেট কার্ড অনেক প্রভাবশালী ক্রিয়েটরদের কাছে ঈর্ষার বিষয়। প্রতিবেদন অনুসারে তিনি একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির জন্য ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন এবং প্রতি রিলে প্রায় ২০-২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন। তার ইনস্টাগ্রাম-ইউটিবে স্টোরি, রিলস- সব মিলিয়ে রয়েছে বহু ভিডিও। 

তার মোট সম্পদের পরিমাণ যদিও অনিশ্চিত, তবে সূত্র অনুসারে জানা যাচ্ছে বর্তমানে তিনি ১ কোটি টাকার সম্পদের মালিক। তবে এটি নিশ্চিত যে তার প্রতিটি ব্র্যান্ড ডিলের থেকেই বেশিরভাগ আয় উপার্জন হয় আর টাকা আসে স্পনসরড কনটেন্টের থেকে।

অপূর্বা একজন অভিনেত্রীও। ২০২৩ সালে ওয়েব সিরিজ ‘হু ইজ ইয়োর গাইন্যাক’ এবং এরপরে ২০২৫ সালে ‘পক্কি বাত’ সিরিজে তাকে প্রথম অভিনয় করতে দেখা যায়। 

পড়ুন: নাটকে ভালোবাসার গল্পের প্রাধান্য

দেখুন: অসুস্থ বলে প্রতিবন্ধি বাবার বাড়ি রেখে গেছেন স্বামী, থমকে যাবে কি মরিয়মের জীবন?

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন