মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান জন্মদানকারী মায়েদের হাতে জন্ম সনদ ও শুভেচ্ছা উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব উপহার সামগ্রী ও জন্ম সনদ তুলে দেন।
নবজাতকের মা শারমিনা আক্তার বলেন, অল্প খরচে সুস্থভাবে স্বাভাবিক ডেলিভারির মাধ্যমে আমার সন্তান জন্ম হয়েছে, এটা আমাদের জন্য অনেক স্বস্তির।
তার স্বামী তরিকুল ইসলাম জানান, সিজারিয়ানে গেলে লাখ টাকার মতো খরচের আশঙ্কা থাকে। কিন্তু নরমাল ডেলিভারিতে স্বল্প খরচে মা ও নবজাতক দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন নার্সরা বলেন, সাধারণত নরমাল ডেলিভারি করালে মা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু সিজারিয়ান অপারেশন হলে মাকে তিন মাসের মতো বেড রেস্টে থাকতে হয়। এতে একদিকে যেমন খরচ বেড়ে যায়, অপরদিকে মায়ের শারীরিক কষ্টও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম বলেন, নরমাল ডেলিভারি মা ও শিশুর জন্য বেশি উপকারী। সিজারিয়ান অপারেশন হলে সারাজীবন যে শারীরিক কষ্টের ভোগান্তি বয়ে বেড়াতে হয়, নরমাল ডেলিভারিতে সে কষ্ট থাকে না। তাই মা ও নবজাতকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মা সন্তান জন্ম দেওয়ার সাথে সাথে শুভেচ্ছা স্মারক ও জন্ম সনদ প্রদান করা হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিদ হোসেন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আজিজ।
পড়ুন: সিলেটের রেলপথে অবস্থান নিয়েছেন অবরোধকারীরা, যাত্রীদের ভোগান্তি
দেখুন: পশ্চিমা বিশ্বের দেশে দেশে হ্যালোইন উৎসব পালন
ইম/


