বিজ্ঞাপন

হত্যা মামলায় অভিনেতা সিদ্দিকের ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর গুলশানে ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী পারভেজ ব্যাপারী হত্যা মামলায় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিদ্দিকের উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে।

গুলশান থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে আটক থাকা অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিককে গত ২০ আগস্ট এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক সামিউল ইসলাম আসামি সিদ্দিককে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামি অত্যন্ত সুকৌশলে শাহজাদপুরের সুবাস্তু নগরভ্যালির সামনে উপস্থিত থেকে অর্থের যোগান দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতাকে নিবৃত্ত করার জন্য এ ঘটনা ঘটায়। এজাহারনামীয় ২২৩ নম্বর আসামি হওয়ায় তার নেতৃত্বে এ মামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ, এজাহারনামীয় পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান পরিচালনা, ঘটনার অর্থের যোগানদাতা ও পরিকল্পনাকারীদের তথ্য সংগ্রহ ও তাদের গ্রেপ্তার, ওই ঘটনায় নেতৃত্বদানকারীদের তথ্য সংগ্রহ ও তাদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনায় অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন গত বছরের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচার কর্মচারী পারভেজ বেপারী।

ওই দিন জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে আহত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা করেন।

গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে বেইলি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু যুবক সিদ্দিককে আটক করে। পরে তাকে রমনা থানা থেকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। 

পড়ুন: জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেফতার অভিনেতা সিদ্দিক

এস/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন