ইরান ইউরোপসহ আরও দুই দেশে পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে আঘাত হানতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া যাবে না। এই অস্ত্র তারা ইসরায়েল, ইউরোপ এবং শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারে।
শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডায় দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন। পরে তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ওই বক্তব্যের একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা বি২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের (ইরান) ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছি। আমরা আপনাদের সেখানে নিয়ে যাব, যেখানে বিমানবাহিনীর কোনো অস্তিত্বই নেই। তা শেষ। তাদের নৌবাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী। মধ্যপ্রাচ্যে তারাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবাহিনী। তাদের ১৫৯টি জাহাজ আছে। প্রতিটি জাহাজই এখন সমুদ্রের তলদেশে। তাদের বিমান বিধ্বংসী কোনো সক্ষমতা নেই। তাদের কোনো রাডারও নেই।
ট্রাম্প আরও বলেন, তাদের (ইরান) কোনো নেতা নেই। আসলে, তাদের সব নেতাও চলে গেছে। এটা আমাদের সমস্যার একটা অংশ। আমরা জানি না আমরা কাদের সঙ্গে কথা বলছি। আমি বলছি, আপনি কি একজন নেতা? আমরা একজন নেতা খুঁজছি। বিশ্বের একমাত্র দেশ। না, কেউ নেতা হতে চায় না। তারা বলে, কেউ কি প্রেসিডেন্ট হতে চান? কিন্তু কেউ রাজি হয় না।
তিনি বলেন, কিন্তু আমাদের এই ছোট অভিযানটি করতেই হতো। কারণ যদি তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, তাহলে এই পৃথিবীটা এক বিভীষিকায় পরিণত হতো। এটা এমন এক বিশ্ব হতো, যা আতঙ্কে বাস করত। তার দাবি অনুযায়ী, অন্য প্রেসিডেন্টদের আগেই এটি করা উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। তারা সবাই ইরানকে ভয় পেত।
এদিন ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করা ভিডিওতে ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র “একটি যুদ্ধে জড়িত”। তিনি পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্বহীনদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়া যায় না।
পড়ুন: জলাবদ্ধতা যাতে না হয়, সে জন্য খালগুলো খনন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
আর/


