যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা শুরু হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের এই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত এই বৈঠকে লেবাননের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াদ ও ইসরায়েলের পক্ষে রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার অংশ নিচ্ছেন। ১৬ এপ্রিল কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী রোববার (২৬ এপ্রিল) শেষ হওয়ার কথা থাকলেও লেবানন এটি আরও এক মাস বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
বৈঠকের প্রাক্কালে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, এই আলোচনার মূল ভিত্তি হলো ইসরায়েলি আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ করা। লেবাননের ভূখণ্ড থেকে বিদেশি সৈন্য প্রত্যাহার নিশ্চিত করা। লেবাননের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর ঘরবাড়ি ধ্বংস ও বুলডোজার চালানো বন্ধ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আলোচনার টেবিলে বন্দি মুক্তি, আন্তর্জাতিক সীমান্তে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার এই বৈঠক নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, লেবাননের সঙ্গে তাদের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই। তবে ইসরায়েলের প্রধান দাবি হলো হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করছেন। ট্রাম্প প্রশাসন আশা করছে যে, এই আলোচনার মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে কয়েক দশকের বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হবে।
পড়ুন : হরমুজে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ উত্তেজনায় তেলের দাম বাড়ল ৪ শতাংশ


