চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষের দাবি।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, একটি ছাত্রসংগঠনের ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা’ কলেজে হামলা চালিয়ে একজনের পা কেটে নিয়েছে।
শাহজাহান চৌধুরী বলেন, নিউমার্কেটে গত ২৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহাসমাবেশে যারা হামলা চালিয়েছিল, তারাই সিটি কলেজে একটি ছবি কেন্দ্র করে আবারও আক্রমণ করেছে।
জানা যায়, কলেজে একটি গ্রাফিতিতে ‘গুপ্ত’ শব্দ লেখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দুই দফায় সংঘর্ষ চলে।
সংসদ সদস্য আরও দাবি করেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে এবং তারা পার্শ্ববর্তী এলাকার অস্ত্রধারী ব্যক্তি, যারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া কোনো পক্ষকে দোষারোপ করা উচিত নয়। তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তথ্য আসছে এবং প্রকৃত ঘটনা জানতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “একতরফাভাবে কোনো রাজনৈতিক দলকে দায়ী করা ঠিক নয়। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি সংসদ সদস্যকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নোটিশ পেলে তিনি বিধি অনুযায়ী বিস্তারিত বিবৃতি দেবেন।
পড়ুন: ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা বাড়ল ইরানের ওপর
আর/


