টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিনের ভাই আখতারুজ্জামান বাবুলের নির্দেশে হামলার বিএনপি নেতাসহ
৪ জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বিকেলে ভূক্তভোগীদের পরিবার ও এলেঙ্গা পৌরসভার সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের উদ্যোগে এ সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।এলেঙ্গা পৌরসভার পুরাতন বাজার এলাকা থেকে মিছিল বের হয়ে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড প্রদক্ষিণ করে কলেজমোড় এলাকায় গিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন- এলেঙ্গা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহাদত হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মিনু, সাবেক কাউন্সিলর দারোগ আলী মেম্বার, পৌর যুব দলের আহ্বায়ন এমএ বাতেন, সদস্য সচিব এড. আজগর আলী, উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মুসা মোল্লা, শ্রমিক নেতা উজ্জ্বল সরকার, এলেঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সভাপতি সোহেল রানা, সরকারি শামসুল হক কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজ্জাদ প্রমুখ।
আহতরা হলেন- এলেঙ্গা পৌর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফকির, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেন, প্রবাসী হাফিজুর রহমান ও শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।
স্থানীয় ও ভূক্তভোগীরা জানান, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন এমপি হন। নির্বাচনের পর থেকেই উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে তার নিজ ভাই, ভাতিজাসহ গ্রামের কিছু উঠতি বয়সীর বেপরোয়া ছেলেদের নিয়ে সংঘবদ্ধ একটি বলয় গড়ে তোলেন।
গত বুধবার এমপির এলাকা রাজাবাড়ী গ্রামে উজ্জ্বল সরকারের সাথে রকিব সিকদারের বাক বিতন্ডা ও ঝগড়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাতে উজ্জ্বল সরকারের গাড়ী ভাঙচুর করে এবং তার ওপর হামলা চালায়। পরে আনুমানিক সোয়া ১২ টার দিকে বিএনপির অফিসে গিয়ে অতর্কিত হামলা করে এলেঙ্গা পৌর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনোয়ার হোসেন ফকির, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলামিন হোসেন, প্রবাসী হাফিজুর রহমান ও শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়।
আহতরা বলেন, আমরা রাতে পৌর বিএনপির কার্যালয়ের অফিসে বসেছিলাম। এসময় আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় । নির্বাচনের পর থেকেই এমপি লুৎফর রহমানের মতিন সাহেব দলীয় লোকজন বাদ দিয়ে তার বাহামভূক্ত রাজাবাড়ীর লোক নিয়ে বিভিন্ন স্থানে দখলদারিত্ব চালাচ্ছে। আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে সবাইকে মাথায় দা, চাইনিজ কুড়াল ও রড দিয়ে আঘাত করেছে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

