বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলে দুই দিনে কুকুরের কামড় নারীসহ ৫৪ জন আহত

টাঙ্গাইলের সখীপুরে কুকুরের কামড়ে দুই দিনে নারীসহ অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনকে ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার ও গতকাল রোববার উপজেলার সানবান্দা, বিজ্ঞানাগার, বাগানচালা, ময়থাচালা, উত্তরা মোড়, উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের দেবলচালা, আন্ধি, কালিয়া, ঘোনারচালা, কচুয়া, দামিয়া এলাকায় আহত ব্যক্তিরা কুকুরের কামড়ের শিকার হন।

বিজ্ঞাপন


স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানায়, রোববার বেলা দুইটার দিকে কালিয়া ইউনিয়নের দেবলচালা গ্রামের আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন নারী ও শিশুকে কামড় দিয়ে সখীপুর পৌর শহরের দিকে ঢুকে। এরপর আন্ধি থেকে পৌর শহরের উত্তরা মোড় পর্যন্ত কমপক্ষে ২০ জনকে কামড় দেয়। গতরাত ১০টার দিকে কুকুরটি দৌড়ে কাহারতা গ্রাম হয়ে কচুয়া চলে যায়। এরপর সোমবার সকালের দিকে কুকুরটি কালিয়া, ঘোনারচালা ও সর্বশেষ দামিয়া গ্রামের বেশ কয়েকজন নারী ও শিশুকে কামড়ায়। আহতদের মধ্যে অন্তত নয়জন শিশু ও ১০ জন নারী রয়েছে। দুদিনে আহতদের মধ্যে ৫৪ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যরা চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক থেকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন- নোমান (৯), আরবি (৪),শাজাহান (৫৫), ফাহাদ (১৮), জান্নাত (৯), রাশেদা বেগম (৫০), জয়নাল (৬০), শামসুল আলম (৪৮), নদী আক্তার (২৪), আব্দুর রশিদ (৬০), সোয়ামনি (৯), সাজিদ (৯), ফজলু মিয়া (৩৫), হিমেল (২১), শামীম (১৫), জালাল মিয়া (৪০), উহান (৫), রুবেল মিয়া (৩২), দীপ্ত খান (১৫), সোহাগ (১৫), রায়হান (৪৫), শফিকুল (৪০), মামুন (১৮), হোসেন আলী (২৮), চান মিয়া (২৬), জাহাঙ্গীর আলম (৫০), বিমলা (৪৫), খাদিজা বানু (৬০), আলেয়া বেগম (৫০), ফাতেমা (৪৫), তালেব আলী (৭০), মারুফ (২৫), ছোয়ামনি (৩), হাসান আলী (৪৫), হাজেরা খাতুন (৪০), সিফাত (১১), জুলহাস উদ্দিন (৭০), শাহেদা বেগম (৬০), মোতালেব মিয়া (৩৫), খন্দকার হাবিবুর (৫০), লাকি আক্তার (৩৫), মেহেরান বেগম (৬০), ইয়ামিন (২) এদের মধ্যে আব্দুর রশিদকে ঢাকার মহাখালীর সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া কালিয়া ঘোনারচালা গ্রামের খন্দকার হাবিবুর বলেন, সকালে আমি আমার নাতনিকে স্কুলে নিয়ে গিয়েছিলাম। বাড়িতে ফেরার পথে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই কুকুর এসে কামড়ানো শুরু করে। আমার চিৎকারে লোকজন আসেন। ওই লোকদেরও কামড়াতে থাকে কুকুর।’

একই গ্রামের মেহেরান বেগম নামের আরেক আহত বয়স্ক নারী বলেন, ইয়ামিন নামের দুই বছরের নাতনিকে কোলে নিয়েছিলাম। এ সময় কুকুরটি লাফ দিয়ে নাতনিকে কামড় দেয়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আমাকেও কামড় দেয়।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল রনী বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। গ্রামবাসী উদ্যোগ নিয়ে ক্ষ্যাপা কুকুরটিকে মেরে ফেলা উচিত ছিল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান, আহতদের মধ্যে আব্দুর রশিদকে ঢাকার মহাখালীর সংক্রমণ ব্যাধি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পড়ুন- ইন্টারনেটের নতুন দর নির্ধারণ, যে টাকায় পাওয়া যাবে ২৫০ এমবিপিএস

দেখুন- ইরানে অ\বি\স্ফো\রি\ত মার্কিন বাং/কা/র বো\মা ধ্বং/সে/র দাবি 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন