বিজ্ঞাপন

তুরস্কের স্কুলে গোলাগুলির ঘটনায় নিহত ৪

দুই দিনের মধ্যে আবার তুরস্কের স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন চারজন। স্থানীয় গভর্নরের ভাষ্যমতে, কাহরামানমারাস প্রদেশে তিনজন ছাত্র ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন।

আল জাজিরার খবরে জানা গেছে, দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক ছাত্র তার সহপাঠীসহ অন্তত চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং আরও অন্তত ২০ জনকে আহত করেছে।

গভর্নর মুকেরেম উনলুয়ের সাংবাদিকদের জানান, কাহরামানমারাস প্রদেশে বুধবারের এই হামলায় তিনজন ছাত্র ও একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র এই হামলাটি চালিয়েছে।

এই প্রাণঘাতী ঘটনাটি দুই দিনের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় স্কুল হামলা। এর আগে মঙ্গলবার সানলিউরফা প্রদেশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে এক প্রাক্তন ছাত্র গুলি চালিয়ে ১৬ জনকে আহত করার পর পুলিশের সাথে সংঘর্ষে আত্মহত্যা করে।

উনলুয়ের বলেন, কাহরামানমারাসে বুধবারের হামলাকারী ছাত্রটি তার বাবার বন্দুকগুলো একটি ব্যাগে লুকিয়ে রেখে দুটি শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে এবং ‘এলোমেলোভাবে’ গুলি চালায়।

বুধবার বেসরকারি সংবাদ সংস্থা আইএইচএ কর্তৃক প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, শরীর ও মুখ ঢাকা অবস্থায় একজনকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং স্কুলে ছুটে আসা অশ্রুসন্তপ্ত বাবা-মায়েদেরও দেখা গেছে।

গণমাধ্যমে উদ্ধৃত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তীব্র গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। পুলিশ ভবনটির চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং টেলিভিশন ফুটেজে ওই এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সের উপস্থিতি দেখা গেছে।

বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক বলেছেন, প্রসিকিউটররা এই গোলাগুলির ঘটনায় অবিলম্বে তদন্ত শুরু করেছেন।

তুরস্কে স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা খুবই বিরল। ২০২৪ সালের মে মাসে ইস্তাম্বুলের একটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পাঁচ মাস পর এক প্রাক্তন ছাত্র বন্দুক দিয়ে সেখানকার অধ্যক্ষকে হত্যা করে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গাজায় ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশুসহ নিহত ১১

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন