নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় পরিত্যক্ত ঘরে মাদকের আসর বসানোর অপরাধে চারজনকে হাতেনাতে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার (৩ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এদিন, দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মুজিবনগর দক্ষিণপাড়া এলাকার মারফত আলীর পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালানো হয়।
তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্তদের দুজনের একজন দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর (দক্ষিণপাড়া) গ্রামের জগদীশ দাসের ছেলে জুয়েল দাস (৪০) ও একই এলাকার বাবলু মিয়ার ছেলে মো. নাজমুল ইসলাম (২৭)।
একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডরা হলেন- দুর্গাপুরের মুজিবনগর এলাকার মো. মজিদ মিয়ার ছেলে মো. মাহবুব মিয়া (৩২) এবং ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানাধীন বেড়িবাঁধ রেলির মোড় এলাকার শ্রী মন্টু চন্দ্র দাসের ছেলে শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র দাস (২৫)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দুপুরে মুজিবনগর দক্ষিণপাড়া এলাকার পরিত্যক্ত ঘরে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসি নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের একটি আভিযানিক দল। এ সময় আসামিরা সেখানে দলবদ্ধভাবে মাদক সেবনরত অবস্থায় ছিল। উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, দুর্গাপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান। অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তিনি আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করেন এবং উপরোক্ত মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নেত্রকোনা জেলা কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামিকে ওইদিনই নেত্রকোনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
যুবসমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং জেলাকে মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
পড়ুন:ঢাকা বাইপাস সড়কে ২০ বছর ধরে নির্মাণ ভোগান্তি;
দেখুন:হাইডেলবার্গ: বাস্তবের চেয়েও সুন্দর?
ইমি/


