বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক যুবককে অপহরণের পর নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

নিহত মো. আবু বকর সিদ্দিক (৩৫) উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের খোয়াজপুর গ্রামের চাপরাশি বাড়ির মৃত হাজি আমিন উল্লাহর ছেলে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ নোয়াখালী আনা হবে। এর আগে, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিদ্দিক ঢাকার গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায় তার বড় ভাই নিজামের খাবার দোকানে কাজ করতেন। কিছু দিন আগে তিনি বাড়িতে আসেন।

গত মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাড়ির সিঁড়িতে বসে মোবাইল ফোন দেখছিলেন সিদ্দিক। এ সময় ৫-৭ জনের একটি দুর্বৃত্ত দল তাকে অপহরণ করে। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্ব পাশে পুকুর পাড়ের একটি মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে তার মুখে গামছা পেঁচিয়ে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। পরবর্তীতে তাকে মৃত ভেবে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

এ বিষয়ে রাজগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান বলেন, ঢাকা থেকে বেতার বার্তা পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকান্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাড়ির সিঁড়ি থেকে কে বা কাহারা তাকে তুলে নিয়ে মারধর করে। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নোয়াখালী নিয়ে আসা হবে। ময়নতদন্তের রিপোর্ট পেলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে হবে, পরিকল্পনা নিয়েই এগোতে হবে: এমপি এনাম

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন